ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন অবস্থান লক্ষ্য করে দফায় দফায় রকেট ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন সেনা ও কূটনীতিকদের লক্ষ্য করে তিন বার রকেট হামলা এবং কয়েক দফা ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী ঐ হামলার দায় স্বীকার করেনি। বিশেষজ্ঞদের দাবি, ইরান সমর্থিত মিলিশিয়ারা এসব হামলা চালিয়েছে। গত মাসে ইরাক-সিরিয়া সীমান্তে মার্কিন অভিযানে ইরানের সঙ্গে সম্পর্কিত ইরাকি মিলিশিয়ার চার সদস্য নিহত হন। সেই সময় নিজেদের যোদ্ধার হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছিল তারা।
ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে আইন আল আসাদ বিমান ঘাঁটিতে রকেট হামলার ঘটনায় দুই জন আহত হয়েছেন বলে জোটের মুখপাত্র কর্নেল ওয়াইনি মারোত্তো নিশ্চিত করেছেন। বিমানঘাঁটিতে রকেটগুলো আঘাত হেনেছে। প্রথমদিকে তিনি আহতের সংখ্যা তিন জন জানালেও পরে দুই জনের কথা নিশ্চিত করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বাগদাদে গ্রিন জোনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে তিন দফা রকেট হামলা চালানো হয়েছে বলে ইরাকি নিরাপত্তা সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। একটি সূত্র জানিয়েছে, দূতাবাসের রকেট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি রকেটের হামলা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। আরেকটি রকেট দূতাবাসের কাছেই আঘাত হেনেছে।
এদিকে ইরাক সীমান্তের কাছে অবস্থিত সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলের আল ওমর তেল ক্ষেত্রে একটি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্স জানিয়েছে, ঐ হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এর আগে গত ২৮ জুন ঐ একই জায়গায় রকেট হামলা চালানো হয়েছিল। পেন্টাগন জানিয়েছে, সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলে একটি ড্রোন হামলা প্রতিহত করা গেছে। মার্কিন বাহিনীর কোনো সদস্য এতে হতাহত হয়নি এবং সেখানে কোনো ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাও ঘটেনি।
