কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতনতা জরুরি

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২১, ২১:৪০

আমাদের দেশে প্রতি বছর যত পশু জবাই হয়, তার অর্ধেকেরও বেশি পশু জবাই হয় মুসলমানদের অন্যতম বৃহত্ ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঈদুল আজহায়। সেক্ষেত্রে পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। কেননা, যত্রতত্র পশু জবাই করলে পশুর বিভিন্ন বর্জ্য যেমন নাড়িভুঁড়ি, গোবর, রক্ত ইত্যাদি পরিবেশের ওপর মারাত্মক বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে, নষ্ট হতে পারে পরিবেশের ভারসাম্য। তাই এ সময়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতন হওয়া খুবই জরুরি। পশুর বর্জ্যগুলো অপ্রয়োজনীয় জিনিস হিসেবে ফেলে না দিয়ে সেগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে আমাদের। যেমন গরুর গোবর জৈব সার, রক্ত ও নাড়িভুঁড়ি মাছের খাদ্য হিসেবে এবং শিং বিভিন্ন দ্রব্য তৈরিতে ব্যবহার করা যেতে পারে। এর ফলে পরিবেশের যেমন কোনো ক্ষতি হবে না, তেমনি এর থেকে অর্থ উপার্জনও সহজ হবে। আমরা প্রতি বছর লক্ষ করি, বিভিন্ন জায়গায় যত্রতত্র পশু কোরবানি দেওয়া হয়, যা আমাদের জন্য খুবই অস্বাস্থ্যকর। এতে রোগ-ব্যাধির সংক্রমণ বৃদ্ধি পায়। তাই এর ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সবাইকে সচেতন হতে হবে। এলাকায় পর্যাপ্ত স্থান নির্দিষ্ট করে উক্ত স্থানেই সবার কোরবানি নিশ্চিত করতে হবে। এর ফলে বর্জ্যগুলোর যেমন সঠিক ব্যবহার হবে, তেমনি পরিবেশের ভারসাম্যও বজায় থাকবে।

পুনম বড়ুয়া নিশান , চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়