চট্টগ্রাম পাসপোর্ট অফিসে ভোগান্তি কমেছে

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২১, ২২:০২

চট্টগ্রাম বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসে সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে। এই অফিসকে কেন্দ  করে দালাল চক্রের উত্পাত এখন আর নেই বললেই চলে। এই চক্রের আখড়া হিসেবে চিহ্নিত আশপাশের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। সেবাগ্রহীতারা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে সরাসরি সাক্ষাত্ করতে পারেন পরিচালকের সঙ্গে। মধ্যস্বত্বভোগীদের সহায়তা ছাড়াই এখন সাধারণ মানুষ নতুন পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার পাশাপাশি আনুষঙ্গিক সব সেবাই পাচ্ছেন। সরকারি রাজস্ব আদায়ে এই অফিস গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

২০১০ সালে দেশে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) চালু হওয়ার পর থেকে গত ১১ বছরে এই অফিস প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা রাজস্ব সংগ্রহ করেছে। রোহিঙ্গাদের বিষয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করার কারণে গত এক বছরে ছয় জন রোহিঙ্গা ও একজন সহযোগীকে আটক করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া ৫৬টি সন্দেহজনক নথি জব্দ করা হয়েছে। আপত্তিকৃত নথি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে নোটিশ বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আবেদনকারীকে জানানো হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক মো. আবু সাইদ ইত্তেফাককে বলেন, ‘বেশির ভাগ আবেদনকারী কীভাবে আবেদন করতে হয় তা জানেন না। ফলে তারা দালালের শরণাপন্ন হন। এতে তাদের প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি লাঘবে আমরা নানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।