এলকপ আয়োজিত দ্বিতীয় অধ্যাপক শাহ আলম সাংবিধানিক আইন মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা

সাংবিধানিক আইন নিয়ে মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি, রানারআপ ব্র্যাক

আপডেট : ০৯ জুলাই ২০২১, ০৩:১৫

এমপাওয়ারমেন্ট থ্রু ল অফ দ্য কমন পিপল (এলকপ) আয়োজিত দ্বিতীয় অধ্যাপক শাহ আলম সাংবিধানিক আইন বিষয়ক মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

গত ২৪ জুন থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত অনলাইনে জুম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের ২৬টি বিশ্ববিদ্যালয় এই ভার্চুয়াল মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

২৪ জুন এ আয়োজনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এলকপের সভাপতি অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ড. জ্যাকলিন এল নিওর ‘ফ্রিডম অফ রিলিজিয়ান ইন দ্যা এজ অফ সোশ্যাল মিডিয়া’ শীর্ষক লেকচারের পাশাপাশি সাবেক অংশগ্রহণকারীদের দ্বারা একটি মুট মাস্টার ক্লাসও অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজনের শুরুতে সকলকে ধন্যবাদ জানান এলকপের নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল এবং পরিচালক এস এম মাসুম বিল্লাহ।

প্রিলিমিনারি, কোয়ার্টার-ফাইনাল এবং সেমিফাইনালে দুই দিনব্যাপী হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়। ফাইনাল রাউন্ডে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন অ্যাডভোকেট মঞ্জিল মুর্শিদ, বিচারপতি মোঃ নিজামুল হক, প্রফেসর থিও লি আন, প্রফেসর ডক্টর আব্দুল্লাহ আল ফারুক এবং প্রফেসর ডক্টর বিশ্বজিত চন্দ।

ফাইনালের দুই রাউন্ড শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রায়হান ফেরদৌস, তানভীর আহমেদ ফাহিম এবং আহমেদ রাগিব চৌধুরীর দল চ্যাম্পিয়ন হয় এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের তারাজি মোহাম্মদ শেখ, নাফিসা তাবাসসুম ও পিনাক সরকারের দল রানারআপের স্থান অর্জন করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দলটি একই সাথে বেস্ট পিটিশনার এবং রেস্পন্ডেন্ট মেমোরিয়াল পুরস্কারও জিতে নেয়। তারাজি মোহাম্মদ শেখ বেস্ট মুটার পুরস্কার অর্জন করেন এবং রায়হান ফেরদৌস ফাইনাল রাউন্ডের সেরা বক্তা হিসেবে 'দ্যা রেবেলিয়াস লইয়ার' খেতাব পান। এক্সিম ব্যাংক এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশকে স্পিরিট অফ দা মুট পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ড. শাহদীন মালিক। আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান এবং অধ্যাপক এবিএম আবু নোমান। এসময় তারা প্রয়াত অধ্যাপক শাহ আলমের স্মৃতিচারণ করেন এবং সাংবিধানিক আইনের বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বলের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে আয়োজন শেষ হয়।

মুট কোর্ট প্রকৃতপক্ষে উচ্চ আদালতের আদলে নির্মিত ছায়া আদালত। মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় আইনের শিক্ষার্থীরা আবেদনকারী বা বাদী এবং বিবাদী হিসেবে দুই পক্ষে বিভক্ত হয়ে আরজি-জবাব পেশ করে থাকে।

 

ইত্তেফাক/এসটিএম