একদিকে করোনা মহামারীর করালগ্রাস অপরদিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। গত ৮ জুলাই বৃহসপতিবার নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার হাশেম ফুড এন্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে এপর্যন্ত ৫২জনের মৃত্যু হয়েছে। ভবনের নিচতলায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট বা গ্যাস বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। কারখানাটিতে দাহ্য পদার্থ এবং রাসায়নিকের পরিমাণ অনেক বেশি থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বলছে, বাংলাদেশে প্রতিবছর ভবনসহ বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সংস্থাটির হিসাবে, ২০১৫ সালে দেশে মোট ১৭ হাজার ৪৮৮ টি অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এটি ধারাবাহিকভাবে বেড়ে ২০২০ সালে তা ২১ হাজার ৭৩ টিতে দাঁড়িয়েছে। চলতি বছর মগবাজারে ভবন বিস্ফোরণ এবং সর্বশেষ রুপগঞ্জের অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলো। অগ্নিকাণ্ড প্রতিহত করতে ভবনের ভিতরে দাহ্য পদার্থগুলো সঠিক জায়গায় রাখা জরুরি। এর জন্য কারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনকে নিয়মিতভাবে কারখানাগুলোর ভেতরে নিরাপদ ব্যবস্থা এবং বিদ্যুত্ গ্যাস সংযোগের জায়গাগুলো তদারকি করা উচিত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ করতে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার আহবান রইল।
তাসনিম জাহান তুলি, শিক্ষার্থী,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
