ইত্তেফাক রিপোর্ট
৩৯তম বিসিএসের অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে নতুন করে চিকিত্সক ক্যাডারের নিয়োগের দাবি জানিয়েছে ক্যাডারবঞ্চিত চিকিত্সকরা। সম্প্রতি এই দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছেন প্রায় ৬ হাজার চিকিত্সক। প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেওয়া আবেদনে তারা উল্লেখ করেছেন, ২০১৭ সালে ৩৯ বিশেষ বিসিএস আয়োজন করা হয়েছিল প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সেবায় যথেষ্ট পরিমাণ চিকিত্সক নিয়োগের উদ্দেশ্যে। ১০ হাজার চিকিত্সক নিয়োগের সেই বিষয় আজও অসম্পূর্ণ আছে। ২০১৯ সালে প্রথম ধাপে ৩৯তম বিসিএস থেকে সাড়ে ৪ হাজার চিকিত্সক নিয়োগ দেওয়া হয়। ৮ হাজার ৩৬০ চিকিত্সককে সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ঘোষণা করেও নিয়োগ দেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে ৩৯ বিসিএসের এই ৮ হাজার ৩৬০ জন তাদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের একটা সমাধানের লক্ষ্যে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছে।
ক্যাডার বঞ্চিতরা বলেন, পরবর্তীকালে কোভিড মহামারির শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী চিন্তাভাবনার আলোকে এখান থেকে ২০২০ সালে ২০০০ চিকিত্সক দ্রুততম সময়ে নিয়োগ দেওয়া হয়। যারা পুরোটা সময় কোভিডের মাঝে প্রতিনিয়ত সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। বাকি ৬ হাজার ১০৭ জন চিকিত্সক এখনো নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন। তাদের মধ্য থেকে প্রথম শ্রেণির নন ক্যাডারে নিয়োগটাও বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে কোভিড পরিস্থিতি আগের চাইতেও ভয়ানক পরিস্থিতি ধারণ করেছে। মৃত্যুহার ঊর্ধ্বমুখী।
গত ৩০ জুন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের মাসিক সভার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে গত ৮ জুলাই আরো ৪ হাজার চিকিত্সক নিয়োগের জন্য পিএসসি-কে পত্র প্রেরণসহ একটি সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রেরণের পরামর্শ প্রদান করা হয়।
তারা আরো বলেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রচুর চিকিত্সক প্রয়োজন হবে। এখন ৩৯তম বিসিএস থেকে সবাইকে নিয়োগ দিলেও চিকিত্সক সংকট নিরসন হবে না।
