রাজধানীর উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরের একটি বাসার নিচতলা থেকে এক নিরাপত্তাকর্মীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রবিবার ভোরে সুবল চন্দ্র পাল নামের ঐ নিরাপত্তাকর্মীর লাশ উদ্ধার করে উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ। লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে ভোরে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ১০ নম্বর রোডের ১০ নম্বর বাড়ির (ছয়তলা) নিচতলা থেকে সুবলের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিচতলায় নিরাপত্তাকর্মীর কক্ষেই থাকতেন তিনি। সকালে ঐ কক্ষে গিয়ে দেখা যায় তার হাত-পা বাঁধা, মাথা ও ঘাড়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। গলায় ফাঁস দেওয়ার দাগ আছে। তার হাত-পা বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।
উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক ইউসুফ আলী বলেন, বাড়ির মালিক হাসান ইমামের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সকালে সুবলের লাশ উদ্ধার করা হয়। তাকে হত্যা করা হয়েছে। কারা, কী কারণে তাকে হত্যা করেছে, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। বাড়ির মালিক হাসান ইসলাম বলেন, দুই বছর ধরে ১২ হাজার টাকা বেতনে সুবল নিরাপত্তাকর্মীর কাজ করছিলেন। রবিবার রাত ১১টার দিকে সুবলের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। ভোরে তিনি নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় ভবনের গেট খোলা দেখতে পান। নামাজ পড়ে এসে সুবলের খোঁজ করেন তিনি। তার কক্ষে গিয়ে দেখেন সুবলের হাত-পা বাঁধা লাশ পড়ে আছে। পরে তিনি পুলিশে খবর দেন।
বাড়ি মালিক আরো বলেন, ‘সুবলের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলায়। তার স্ত্রী এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে থাকেন। তার সঙ্গে কারও শত্রুতা আছে বলে কখনো শোনেননি। ফলে কেন, কী কারণে তাকে হত্যা করা হলো, সেটা পরিষ্কার হতে পারছি না।’
