এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে তিন প্রস্তাব

আপডেট : ১২ জুলাই ২০২১, ১৮:৫৬

চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত এ সপ্তাহেই আসতে পারে। সেটা সম্ভব না হলে ঈদের আগেই সিদ্ধান্ত জানাতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

সূত্র জানায়, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ব্যাপারে একাধিক প্রস্তাবনা তৈরি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেই প্রস্তাবনার ব্যাপারে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সিদ্ধান্ত হাতে আসলেই এ ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলন করবেন শিক্ষামন্ত্রী।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে, রচনামূলক বা সৃজনশীল প্রশ্ন বাদ দিয়ে কেবল মাল্টিপল চয়েজ কোয়েশ্চেন (এমসিকিউ) পরীক্ষা নেওয়া। দ্বিতীয় প্রস্তাবে বলা হয়েছে,  বিষয় ও পূর্ণমান (পরীক্ষার মোট নম্বর) কমিয়ে পরীক্ষা নেওয়া। এক্ষেত্রে প্রতি বিষয়ের দুই পত্র একীভূত করা। অর্থাৎ প্রতি পত্রে ২০০ নম্বরের বদলে ১০০ নম্বরে পরীক্ষা নেওয়া। পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেওয়া। কিন্তু উভয় ক্ষেত্রেই করোনা পরিস্থিতির উন্নতি প্রয়োজন। কারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খুলতে পারলে সরাসরি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। তবে এই দুই প্রস্তাবের জন্য অক্টোবর-নভেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করা যেতে পারে। 

উৎকণ্ঠায় ৪০ লাখ ছাত্রছাত্রী

তৃতীয় প্রস্তাবে বলা হয়েছে, উপরের দুই প্রস্তাবে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে এসএসসির ক্ষেত্রে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষার ফলের ৫০ শতাংশ এবং অ্যাসাইনমেন্ট ও ক্লাস অ্যাকটিভিটিসের ওপর ৫০ শতাংশ নম্বর সমন্বয় করে ফল প্রস্তুত করা হতে পারে। এইচএসসির ক্ষেত্রে এসএসসির ফলের ৫০ শতাংশ, জেএসসির ২৫ শতাংশ এবং অ্যাসাইনমেন্টের ফলের ২৫ শতাংশ সমন্বয় করে ফল প্রকাশ হতে পারে। তবে কোনো অবস্থাতেই অপোটাস দেওয়া হবে না। 

গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি বছরের এসএসসি ও ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। 

 

ইত্তেফাক/ইউবি