কুমিল্লায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

আপডেট : ১২ জুলাই ২০২১, ২২:০৯

দুই ব্যবসায়ীর ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর

জড়িতদের কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ

কুমিল্লা প্রতিনিধি    

কুমিল্লায় ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা, মারধর ও গাড়ি ভাঙচুর করে সাড়ে ৭ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার পৃথক           অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলার আদর্শ সদর উপজেলার মাঝিগাছা এলাকায় এবং একই উপজেলার গোমতী নদীর চানপুর ব্রিজ এলাকায় পৃথক দুটি ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় পৃথক               অভিযোগ দায়ের হলেও সোমবার বিকাল পর্যন্ত জড়িতদের কেউ গ্রেফতার  না হওয়ায় ভুক্তভোগী ও স্থানীয় এলাকার লোকজনের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নগরীর বিষ্ণুপুর এলাকার বাসিন্দা ‘কুমিল্লা ডেইরি ফার্ম’-এর স্বত্বাধিকারী জুয়েল হোসেন গত শনিবার (১০ জুলাই) দুপুরের দিকে গরু বিক্রির ৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে নিজের প্রাইভেট কারযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি গোমতী নদীর চানপুর ব্রিজের কাছে পৌঁছলে আরেকটি গাড়িতে করে পিছু নেওয়া শাহীন মিয়া, জহিরুল ইসলাম, আবদুল হান্নানসহ তাদের সঙ্গীয়রা তার (জুয়েল হোসেন) গাড়িটিকে ঘিরে ফেলে। এ সময় তারা সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে তার                   গাড়িটি ভাঙচুরসহ তাকে মারধর করে ঐ টাকা ছিনিয়ে নেয়। তার                   চিত্কারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে ছিনতাইকারীরা অস্ত্রের                    ভয় দেখিয়ে পালিয়ে যায়। পরদিন রবিবার (১১ জুলাই) রাতে ঐ ছিনতাইকারী চক্রটি আদর্শ সদর উপজেলার মাঝিগাছা গ্রামের রেন্ট-এ-কার ব্যবসায়ী সুমন মিয়াকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এ সময় তারা                সুমনের স্ত্রী বিথী আক্তারের স্বর্ণের চেইন ছিনতাইসহ শ্লীলতাহানির                    চেষ্টা করে।

ব্যবসায়ী জুয়েল হোসেন জানান, ‘আদর্শ সদর উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী বড়জ্বালা গ্রামের শাহীন মিয়া, জহিরুল ইসলাম ও হান্নানসহ তাদের একটি অপরাধী চক্র রয়েছে। তারা ছিনতাই ও মাদক     চোরাচালানির সঙ্গে জড়িত। অপরাধ সংঘটিত করে তারা অনেক সময় ভারতে পালিয়ে আত্মগোপন করে থাকে। হামলা ও ছিনতাইয়ের                             ঘটনায় তাদেরসহ অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি              মডেল থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু জড়িতদের কেউ এখনো গ্রেফতার হয়নি।’

সোমবার বিকালে কোতোয়ালি মডেল থানার অধীন ছত্রখিল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই গোলাম কিবরিয়া জানান, ‘পৃথক দুটি ঘটনা               আমার ফাঁড়ি এলাকায় ঘটেছে। দুটি ঘটনার মধ্যে সুমন মিয়ার স্ত্রী বিথী আক্তারের অভিযোগটি এফআইআর করা হয়েছে এবং ব্যবসায়ী                         জুয়েল হোসেনের ওপর হামলা ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগের                   তদন্ত চলছে। এসব ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত  আছে।’