শিবচরে করোনা প্রতিরোধে চিফ হুইপের সময়োপযোগী পদক্ষেপ

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২১, ১৩:৪০

স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ২০১৮ সালের শেষের দিকে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের ছয়বারের সফল সংসদ সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন মাদারীপুর জেলার শিবচরের বহেরাতলা দক্ষিণ ইউনিয়নে গড়ে তুলেন হাজী আবুল কাসেম উকিল মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। প্রতিষ্ঠার মাত্র এক সপ্তাহ পরেই দেখা দেয় করোনা মহামারি।

এর পর করোনার ভয়াবহতার কথা ভেবে শিবচরবাসীর জন্য দ্রুত সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ঘোষণা দেন হাসপাতালটিকে বিশেষায়িত করোনা আইসোলেশন সেন্টার হিসেবে গড়ে তোলার। 

হাসপাতালটিকে দ্রুত করোনা আইসোলেশন সেন্টার হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে চিফ হুইপ তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সরবরাহ করেন আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় মেডিকেল সামগ্রী। 

একটি পরিপূর্ণ করোনা আইসোলেশন সেন্টারে যা কিছু প্রয়োজন তা নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডাক্তার, নার্স ও স্টাফ পদায়ন করে গত বছরের ৯ জুলাই হাজী আবুল কাসেম উকিল মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটিকে ২০ শয্যা বিশিষ্ট করোনা আইসোলেশন সেন্টার হিসেবে উদ্বোধন করেন চিফ হুইপ ।

No description available.

 এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক (মাদারীপুর) ড. রহিমা খাতুন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা, পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. সেলিম ও পৌর আওয়ামী লীগের  সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেন খান (তোতা) প্রমুখ ।

এ বিষয়ে চিফ হুইপ বলেন, ‘শিবচরবাসী করোনার প্রথম ধাপে যেভাবে আমার কথা রেখেছেন, সরকারের বিধিনিষেধ মেনে চলেছেন এখনো সেভাবে মেনে চলবেন এটা আপনাদের প্রতি আমার অনুরোধ। এখন করোনার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঢেউ চলছে সবাই সাবধানে থাকবেন প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাহিরে যাবেন না। কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে সংকোচ করে ঘরে বসে থাকবেন না। দ্রুত বহেরাতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের হাজী আবুল কাসেম উকিল ২০ শয্যা বিশিষ্ট বিশেষায়িত আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি হবেন। এখানে আশপাশের জেলার লোকজনও চিকিৎসা নিতে পারবেন। ’

তিনি বলেন, ‘করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য এখানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডাক্তার, নার্স ও স্টাফদের পদায়ন করা হয়েছে, খাওয়া দাওয়াসহ প্রয়োজনীয় ও জরুরি মেডিকেল সামগ্রী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’  

সরেজমিনে খোজ নিয়ে জানা গেছে করোনা হাসপাতাল হিসেবে এই বিশেষায়িত আইসোলেশন সেন্টারটির সুনাম দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে করোনার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঢেউ শুরু হলে এ হাসপাতালে দূরদূরান্ত থেকে রোগীরা আসতে শুরু করেছে এবং প্রতিদিনই একাধিক রোগী সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে যাচ্ছে।

ইত্তেফাক/এএএম