শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা
শায়েস্তাগঞ্জে লকডাউন নিশ্চিত করতে জেলা, উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসার মাঠে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বিধিনিষেধের মধ্যেও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে শায়েস্তাগঞ্জের পশুর হাটে সমাগম হচ্ছে হাজার হাজার মানুষের। তবে হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা কেউ মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি।
গত ১০ জুলাই সরজমিনে দেখা যায়, কঠোর বিধিনিষেধ ও স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে পৌর পশুর হাটের আশপাশের এলাকা থেকে কোরবানির পশু কেনাবেচা করতে আসেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। জনসমাগমস্থলে বিন্দুমাত্রও সামাজিক দূরত্ব ছিল না। স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের বেচাকেনা করতে দেখা যায়। ছিল না কোনো সমাজিক দূরত্ব। অধিকাংশ ক্রেতা-বিক্রেতার মুখেই ছিল না মাস্ক। গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে আছে লোকজন।
আব্দুস সালাম নামে এক গরু বিক্রেতা বলেন, তার মাস্ক পরলে শ্বাসকষ্ট হয়। তাই মাস্ক পরি না। তবে পকেটে রাখা আছে। যদি পুলিশে ধরে দেখাতে পারব। শায়েস্তাগঞ্জ পৌর পশুর হাটের ইজারাদার মোশাহিদ তালুকদার বলেন, আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করছি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে। মাস্কবিহীন কোনো ক্রেতা-বিক্রেতাকে হাটে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। অগোচরে কেউ প্রবেশ করলে তাকে মাস্ক দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিনহাজুল ইসলাম বলেন, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে পশুর হাট বসাতে ইজারাদারকে বলা হয়েছে। মাস্ক ও সামাজিক দূরত্ব রেখে বেচাকেনা করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিধিনিষেধ কার্যকরে প্রশাসন মাঠে আছে।
