প্রবাসীকর্মীদের ভোগান্তি লাঘবে এক ডোজের টিকা নির্ধারণের সুপারিশ

আপডেট : ১৪ জুলাই ২০২১, ০০:৫৩

করোনার টিকার জন্য নিবন্ধন করতে গিয়ে নানা ভোগান্তিতে পড়ছেন অনেক প্রবাসীকর্মী। তারা বলছেন, টিকার জন্য নিবন্ধন করার চার-পাঁচ দিন পরও টিকা নেওয়ার এসএমএস পাচ্ছেন না। তার আগে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোতে (বিএমইটি) নিবন্ধনেও ৭২ ঘণ্টার বেশি সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাদের। এ অবস্থায় প্রবাসীকর্মীদের জন্য গন্তব্য দেশের অনুমোদন সাপেক্ষে এক ডোজের টিকা ক্রয় করার সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ সিভিল সোসাইটি ফর মাইগ্রেন্টস (বিসিএসএম)। গতকাল মঙ্গলবার অনলাইনে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে টিকার প্রক্রিয়া সহজীকরণের জন্য ১৩টি সুপারিশ করে এই জোট।

সাংবাদিক সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সিভিল সোসাইটি ফর মাইগ্রেন্টস-বিসিএসএমর কো-চেয়ার এবং ওয়ারবে ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুল হক। মডারেটর হিসেবে বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি রিসার্চ মুভমেন্টের (রামরু) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার ড. তাসনিম সিদ্দিকী।

সাংবাদিক সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অভিবাসীকর্মীদের পাঠানো অডিও ও ভিডিও বার্তা প্রচার করা হয়। এতে তারা টিকা গ্রহণের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় যেসব প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছেন, তা তুলে ধরেন। সৌদি আরবের মতো অন্য দেশের অভিবাসী কর্মীদেরও কোয়ারেন্টাইনের হোটেল খরচ বাবদ সরকারিভাবে ২৫ হাজার টাকা ভর্তুকি দেওয়ার দাবি ওঠে। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্লামেন্টারিয়ানস ককাস ফর মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের সদস্য আহসান আদেলুর রহমান এমপি।

১৩টি সুপারিশের মধ্যে রয়েছে—বেশি ব্যান্ডউইথের সার্ভার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। দুটি নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পর্কে অভিবাসীদের স্পষ্ট ধারণা দিতে হবে। অধিকাংশ অভিবাসী বা তার পরিবারের সদস্য অনলাইন নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় অভ্যস্ত নয়, সেক্ষেত্রে দুটি নিবন্ধনের প্রতিটি ধাপ ভিডিও টিউটোরিয়ালে হাতে-কলমে শেখাতে হবে এবং তা রেডিও, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে অভিবাসীদের দেখাতে হবে।