করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে সারা দেশ জর্জরিত। প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে ভাইরাসের সংক্রমণ। শহরাঞ্চল থেকে ঘরে ঘরে ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। প্রতিদিনই রেকর্ড ভাঙছে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার। হাসপাতালে রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ডাক্তার-নার্সদের। যেখানে সরকার সংক্রমণ প্রতিরোধে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছে সেখানে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কার্যক্রম তেমন চোখে পড়ছে না। বাংলাদেশে গত কয়েক সপ্তাহ যাবত্ করোনা ভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ ঠেকাতে পয়লা জুলাই থেকে দেশে চলছে একটি সর্বাত্মক লকডাউন বা কঠোর বিধিনিষেধ। এমন পরিস্থিতিতে শোনা যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্থায়ী ও অস্থায়ীভাবে গরুর হাট বসানো হবে। যেখানে সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি না মেনে যেখানে সেখানে বেখেয়ালিভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেখানে গরুর হাটে কীভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে, এমন একটি প্রশ্ন থেকে যায়? ঢাকার দক্ষিণ এবং উত্তর—দুটি সিটি করপোরেশন থেকেই ঘোষণা করা হয়েছে যে, নগরীর বিভিন্ন জায়গায় ১৭ জুলাই থেকে কোরবানির পশুর হাট শুরু হবে। কর্তৃপক্ষ বলেছে, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনেই ১৭ জুলাই থেকে ২১ জুলাই অর্থাত্ ঈদের দিন পর্যন্ত হাট চলবে। আসন্ন ঈদ উপলক্ষ্যে প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার জন্য সর্বস্তরের জনগণ বিভিন্ন জায়গায় ছোটাছুটি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়বে। এমন পরিস্থিতিতে খোলা জায়গায় হাট না বসিয়ে অনলাইন হাটকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। ইতিমধ্যে অনলাইনে কোরবানির পশুর হাটের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে জনসচেতনতা দরকার। যারা একান্তই সরাসরি পশুর হাটে যাবেন, তারা যাতে মাস্ক পরিধানসহ যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন, সে ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এখন থেকেই গ্রহণ করতে হবে।
প্রসেনজিত্ কুমার রোহিত
শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ
