কঠোর মনিটরিং ও যথাযথ আইনের প্রয়োগ ছাড়া শিশু সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন শিশু অধিকার কর্মীরা। তারা বলেন, শিশুশ্রম নিরসন কেবল শ্রম মন্ত্রণালয়ের দায় নয়, এক্ষেত্রে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় জরুরি। সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়, নারী ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও শ্রম মন্ত্রণালয়কে একযোগে কাজ করতে হবে। দায়ী ব্যক্তিদের শিশু ও নারী হত্যার জন্য আইনের আওতায় সাজা প্রদান এবং আহত ও নিহত শ্রমিকদের জন্য আইএলও নির্ধারিত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার শিশু সুরক্ষা ও শিশুশ্রম প্রতিরোধে নাগরিক প্রস্তাবনা শীর্ষক এক ‘সংবাদ সম্মেলনে’এসব কথা বলা হয়।
বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি, বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশন, ইনসিডিন বাংলাদেশ ও স্ট্রিট ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন কেয়ার যৌথভাবে অনলাইনে এর আয়োজন করে। সম্প্রতি বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের অধিকাংশই শিশুশ্রমিক। সাম্প্রতিক এই ঘটনাকে সামনে রেখেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট সালমা আলী, ইনসিডিন বাংলাদেশ নির্বাহী পরিচালক এ কে এম মাসুদ আলী, বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশন সাধারণ সম্পাদক জেড এম কামরুল আনাম, স্ট্রিট ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন কেয়ার প্রেসিডেন্ট লীমা ফেরদৌস। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোবায়দা পারভিন। সংবাদ সম্মেলনে ইউনিসেফ ও বিলস-এর প্রতিনিধিও উপস্থিতি ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে স্বচ্ছ আইন বিচারের নিশ্চয়তা চেয়ে এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় শ্রমিক ও মানবাধিকার প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করারও দাবি জানানো হয়।
