যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা

আপডেট : ১৫ জুলাই ২০২১, ২২:০১

কালীগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিরোধের জেরে এনামুল  নামে এক যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে নির্বাচনে জয়লাভ করা স্বতন্ত্র প্রার্থী খাইরুল আলমের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। গত বুধবার রাতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. মাহবুবুর রহমান খান ফারুক মাস্টার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ অভিযোগ করেন। ঐ রাতেই চিকিত্সাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান এনামুল। মঙ্গলবার রাতে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এনামুল উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মধ্যে নারগানা এলাকার আব্দুল বাতেনের ছেলে।

ওসি জানান, দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। গত ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট তাদের এই বিরোধের জের ধরে গত মঙ্গলবার রাতে এনামুলকে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে প্রতিপক্ষের লোকজন। তাকে উদ্ধার করে  প্রথমে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে নেওয়া হয় ঢাকার একটি হাসপাতালে। বুধবার রাতে সেখানে তার মৃত্যু হয়। ওসি আরো জানান, বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে থানা পুলিশ। তবে এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান তিনি।

মাহবুবুর রহমান খান ফারুক মাস্টার বলেন, ‘এনামুল আমার কর্মী ছিলেন। নির্বাচনি এজেন্টও থাকার কথা ছিল তার। কিন্তু আমার প্রতিপক্ষ স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা তাকে হত্যার হুমকি দিয়েছিল।  ভয়ে এনামুল এজেন্ট হননি। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বের হলে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তার ওপর হামলা চালিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। তবে জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদ্য নির্বাচিত চেয়ারম্যান খাইরুল আলম বলেন, এনামুলের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতরা কেউ তার সমর্থক নয়। তাদের গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি।