যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার প্রবেশদ্বারে, লাউজনি রেলক্রসিংয়ের সামনে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বসানো হয়েছে রোড ডিভাইডার। কিন্তু বিধিবাম! এই ডিভাইডার-ই এখন হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। যশোর শহর থেকে বেনাপোলমুখী দুই লেনের টানা রোড। নতুনহাট বাজার পেরিয়ে লাউজনি নামক স্থানে কয়েক মাস আগে তৈরি করা হয় একটি রোড ডিভাইডার। কিন্তু ডিভাইডারকে দূর থেকে দৃশ্যত করার জন্য ব্যবহার করা হয়নি সাইনবোর্ড বা সিগন্যাল। ফলে তা নজরে এড়িয়ে যাচ্ছে চালকদের। ডিভাইডার তৈরির প্রথম সপ্তাহেই ঘটেছে দু-দুটি দুর্ঘটনা। এরপর কর্তৃপক্ষ কিছু সিগন্যালের ব্যবস্থা করলেও তা যথেষ্ট নয়, কমছে না দুর্ঘটনার পরিমাণ। কারণ এ পথে যারা আগে গাড়ি চালিয়েছেন, তারা পরিচিত নন নতুন এই ডিভাইডারের সঙ্গে। দ্রুত গতিতে গাড়ি চালিয়ে আসলে ডিভাইডারের খুব নিকটে পৌঁছাবার পরেই তা দৃষ্টি গোচরে আসে। আবার অনেক সময় রাতের বেলায় কাছে থেকেও তা এড়িয়ে যায় দৃষ্টি। ফলে অনেক গাড়ি ডিভাইডারের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খেয়ে আঁচড়ে পড়ছে রাস্তার ধারে; কখনো বা উঠে বসছে ডিভাইডারের ওপরে।
এ মহাসড়ক রাজধানীসহ সারা দেশকে যুক্ত করেছে বেনাপোল স্থলবন্দরের সঙ্গে। ফলে দেশের অর্থনীতিতে এর অবদান অনস্বীকার্য। নিবেদন থাকবে কর্তৃপক্ষ ডিভাইডারের কয়েক গজ দূর থেকেই সাইনবোর্ড, ডিজিটাল সংকেত এবং সড়ক বাতির ব্যবস্থা করে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যত ভূমিকা রাখবেন।
শাকিরুল আলম শাকিল
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ড্যাফোডিল আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
