বিধিনিষেধ শিথিলের পর বরিশালে সীমিত লঞ্চ চলাচল শুরু

আপডেট : ১৫ জুলাই ২০২১, ২২:৩৪

সারা দেশের মতো বরিশালেও ২২ দিন পর সীমিত পরিসরে লঞ্চ-বাস চলাচল শুরু হয়েছে। গতকাল প্রথম দিন স্বাস্থ্যবিধি মেনে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে লঞ্চ ও বাস পরিচালনার চেষ্টা করেছে কর্তৃপক্ষ। তবে যাত্রীরা অনেক ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করছে। আবার কেউ কেউ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচলে নিরাপদ বোধ করছেন। সরকার আট দিনের জন্য লকডাউন শিথিল করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চলাচলের নির্দেশনা দিয়েছে।

এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বরিশাল নদীবন্দর থেকে স্থানীয় ও অভ্যন্তরীণ রুটের লঞ্চ চলাচল শুরু হয়। ঢাকাগামী দূরপাল্লার লঞ্চগুলো গন্তব্যে ছেড়ে যায় রাতে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল নদীবন্দরে গিয়ে দেখা গেছে, দীর্ঘ ২২ দিন পর লকডাউন শিথিল করায় খুশি লঞ্চের কর্মচারী ও শ্রমিকেরা। তাদের হাকডাকে মুখর বরিশাল নদীবন্দর। অনেক দিন পর নৌযান চলাচল শুরু হওয়ায় গতকাল প্রথম দিন যাত্রীদেরও অনেক চাপ দেখা গেছে। প্রতিটি লঞ্চে সামাজিক দূরত্ব রক্ষার চেষ্টা করা হয়। এছাড়া মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারে যাত্রীদের তাগাদা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু অনেক যাত্রী এতে বিরক্ত প্রকাশ করছে। তবে কিছু যাত্রী স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। যাত্রীরা যাই বলুক না কেন, লঞ্চ কর্তৃপক্ষ নিজেদের ও যাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তত্পরতা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী বহনের সরকারি নির্দেশনার কারণে লঞ্চভাড়া বাড়লেও এ নিয়ে অভিযোগ নেই কারোর। তারা গন্তব্যে যেতে পেরেই খুশি। সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করলে সংশ্লিষ্ট লঞ্চ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন বরিশাল বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক (বন্দর ও পরিবহন) মো. মোস্তাফিজুর রহমান। এদিকে লঞ্চের মতো বাসেও ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী বহন করে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে বরিশালে চলাচলরত থ্রি হুইলার যানবাহনে সামাজিক দূরত্ব রক্ষার বালাই নেই। এ বিষয়ে পুলিশেরও তেমন কোনো নজরদারি দেখা যায়নি।