ঈদুল আযহার পর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ হলেও শিল্প কারখানা খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন তৈরি পোশাক শিল্প মালিকরা। বিজিএমইএ সভাপতির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল গতকাল বৃহষ্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাত্ করে এ দাবি জানিয়েছে। সাক্ষাত্ শেষে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা শিল্প কারখানা খোলা রাখার দাবি জানিয়েছি। মন্ত্রিপরিষদ সচিব আমাদের জানিয়েছেন আগামী শনিবার তারা বিষয়টি নিয়ে বৈঠক করবেন। বৈঠকের পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
বিজিএমইএ সভাপতি ছাড়াও বৈঠকে বিকেএমইএ, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিল অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যান্যুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ টেরিটাওলে অ্যান্ড লিনেন ম্যানুফাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ফারুক হাসান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা শিল্প কারখানা খোলা রাখার দাবি জানিয়েছি কারণ শিল্প কারখানা যদি খোলা রাখা না যায়, তাহলে অর্থনীতিতে এটার একটা মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সরকার ঈদের পর নতুন করে লকডাউনের যে ঘোষণা দিয়েছে, এটার সার্বিক পরিস্থিতিটা আমরা তুলে ধরেছি। লকডাউনের মধ্যে যে সময়টুকু কারখানা বন্ধ থাকবে তার মধ্যে রফতানিমুখী শিল্পগুলো কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সে বিষয়গুলো জানিয়েছি। তিনি জানান, গতবছর প্রায় ৪০০ কোটি ডলার (৩৪ হাজার কোটি টাকা) সমপরিমাণ অর্ডার বাতিল হয়েছিল। কিন্তু অর্ডারগুলো আস্তে আস্তে ফিরে আসছে। কিন্তু লকডাউনের ঘোষণার পর থেকে আন্তর্জাতিক মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়াতে তথ্য যাওয়ার কারণে ক্রেতারা আবার অর্ডার স্লো করে দিয়েছে, অর্ডার বন্ধ করে দিয়েছে। সে কারণে আমরা সচিবের কাছে অনুরোধ করেছি।
