টোকিওর পথে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২১, ২১:৫৬

স্পোর্টস রিপোর্টার

এখনো করোনার আতঙ্কে কাঁপছে জাপান। নানা বিধিনিষেধ মেনে চললেও সেখানে ক্রীড়াবিদ কোয়ারিন্টাইনে থাকার পরও করোনা শনাক্ত হয়েছেন এমন খবরও প্রকাশ হয়েছে। তার পরও জাপানে ঢুকতে শুরু করেছেন বিভিন্ন দেশের ক্রীড়াবিদরা। আতঙ্কে হোক আর যে কারণেই হোক না কেন অনেক খেলোয়াড় টোকিও অলিম্পিকে যেত আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। টেনিস তারকাও নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। জার্মানির নারী টেনিস তারকা অ্যাঞ্জেলিক কেরবা নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এর আগে রাফায়েল নাদাল, বিয়াঙ্কা, আন্দ্রেয়েস্কু, সেরেনা উইলিয়ামস, রজার ফেদেরার, সিমোনা হালেপ টোকিও অলিম্পিক থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এসব নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না টোকিও অলিম্পিক আয়োজক কর্মকর্তারা। অন্যান্য দেশ যেন অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহণ করে সে জন্য আয়োজকরাও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে।

বাংলাদেশে জাপান রাষ্ট্রদূত সেদিন অলিম্পকগামী বাংলাদেশ দলকে উত্সাহ দিতে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন। বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের বরাবরই ভালো সম্পর্ক। সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবেন জানিয়ে গেছেন জাপানের রাষ্ট্রদূত।

বাংলাদেশ দল গতকাল হতে জাপানের পথে রওনা হয়েছে। পালাক্রমে ক্রীড়াবিদরা টোকিও যাবেন। 

গতকাল রাতে আর্চারি ও শুটিং দল টোকিওর বিমানে চড়েন। এদের মধ্যে দুই আর্চার রোমান সানা, দিয়া সিদ্দিকী এবং কোচ মার্টিন ফ্রেডরি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল, শুটার আবদুল্লাহ হেল বাকি, শুটিং কোচ গোলাম শফিউদ্দিন খান শিপলু রয়েছেন। এই দলটি ঢাকা ছাড়ার আগেই জাপানে গিয়েছে তিন অফিসিয়াল কন্টিনজেন্টের অলিম্পিক অ্যাটাচি ফখরুদ্দিন হায়দার, প্রশাসনিক কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বাবু ও দলের ডাক্তার শফিকুর রহমান। ছয় ক্রীড়াবিদ অংশগ্রহণ করবেন অলিম্পিকে। আজ ফ্রান্স হতে টোকিও রওনা দেবেন সাঁতারু আরিফুল ইসলাম। ২৬ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র হতে নারী সাঁতারু জুনাইনা আহমেদ টোকিও যাবেন। আর ঢাকা হতে ২৫ জুলাই টোকিও যাবেন অ্যাথলেট জহির রায়হান ও তার কোচ আবদুল্লাহ হেল কাফি।