বিশেষ প্রতিনিধি
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম গতকাল সকালে খিলক্ষেত এলাকা থেকে সন্দেহজনকভাবে চলাচলকারী লবণ বোঝাই একটি ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে। আন্তঃজেলায় চলাচলকারী ট্রাকটিতে পাওয়া যায় ১৪ টন লবণ। ব্যাপক তল্লাশির পর ট্রাকের বিভিন্ন যন্ত্রাংশে ও সিটের নিচে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা অবস্থায় পাওয়া যায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবা। দীর্ঘদিন ধরে টেকনাফের বিভিন্ন স্থান থেকে ইয়াবা বিশেষ কায়দায় পরিবহন করতে থাকা দুই জনের নাম বাচ্চু মিয়া ও সুলতান মাহমুদ। এরা সম্পর্কে দুলাভাই-শ্যালক। জব্দকৃত ইয়াবার মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা ।
অভিযান পরিচালনাকারী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (গুলশান বিভাগ) মশিউর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে বগুড়ার শেরপুরের বিভিন্ন মেইল থেকে ১৪/১৫ টন চাল কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বহন করে নিয়ে যেত। আর ফেরার পথে বিভিন্ন পাইকারদের কাছ থেকে ইয়াবার চালান সংগ্রহ করত। পরে ঢাকা, গাজীপুর, রাজশাহী, রংপুর এবং বগুড়া অঞ্চলে ইqvevi চালান নিয়ে যাওয়ার জন্য ট্রাক এবং ট্রাকের চালক ও হেলপার ভাড়া করত। ইয়াবার চালান সফলভাবে পৌঁছাতে পারলে তারা পেত ৭ লাখ টাকা। যার ৭০ শতাংশ পেত দুলাভাই এবং ৩০ শতাংশ ভগ্নিপতির। এবার নাপিতখালি, টেকনাফ থেকে প্রায় ১৪ টন লবণ নিয়ে আসার সময় এ বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও কৌশলে বহন করে নিয়ে আসে।
এ গোয়েন্দা কর্মকর্তা আরো বলেন, আটককৃতরা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে ইতোপূর্বে তারা তিনটি চালান এই কৌশলে বহন করে পৌঁছে দিয়েছিল বিভিন্ন ইয়াবা কারবারিদের কাছে।
