বন্দরামপুর খালে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০২১, ২১:৪৯

মো. লুত্ফুর রহমান, কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার তিতাস নদীর বন্দরামপুর শাখা খালের ওপর জরাজীর্ণ সেতুতে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সংস্কারের অভাবে এ সেতুটির দুই পাশের মাটি সরে গেছে। এ সেতু দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করে অন্তত পাঁচ গ্রামের ১০ সহস্রাধিক মানুষ। জনদুর্ভোগ নিরসনে এলজিইডির আওতাধীন সেতুটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

সরজমিন ঘুরে জানা যায়, জেলার তিতাস উপজেলার কড়িকান্দি ইউনিয়নে ১২টি গ্রাম রয়েছে। এখানে জনসংখ্যা প্রায় ২৫ হাজার। এ ইউনিয়নের তিতাস নদীর বন্দরামপুর এলাকায় খালের ওপর ১৯৭৭ সালে অনেক উঁচু করে সেতুটি নির্মিত হয়। এরপর থেকে সংস্কার না হওয়ায় সেতুর বিভিন্ন অংশের ঢালাই খসে পড়ে। ধসে গেছে দুই পাশের মাটি। সেতুটির দুই পাশের গোড়ায় মাটি না থাকায় শুকনো মৌসুমে মরিচা পড়া রডের ওপর কাঠের পাটাতন বসিয়ে লোকজন চলাচল করে। তবে বর্ষা মৌসুমে এ সেতু পারাপারে সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সেতুটির এ জীর্ণদশার কারণে এলাকার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কৃষক ও ব্যবসায়ীসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষকে যাতায়াতে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

বন্দরামপুর গ্রামের আবদুল মান্নান, আলী হোসেন, মমতাজ উদ্দিনসহ নানা পেশার লোকজন বলেন, ‘পুরোনো এ সেতুটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এই সেতুর ওপর দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। যে কোনো মুহূর্তে এটি ধসে পড়তে পারে। তাই এখানে নতুন সেতু নির্মাণের জন্য এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসলেও কোনো কাজ হচ্ছে না। এ ব্যাপারে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

কড়িকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসীন ভুঁইয়া জানান, সেতুটির বিষয়ে আলোচনা করে জনদুর্ভোগ নিরসনের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তিতাস উপজেলা প্রকৌশলী অহিদুর রহমান বলেন, ‘স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাসিক সমন্বয় সভায় বিষয়টি উত্থাপন করলে এ বিষয়ে একটা ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।’