দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা দ্বিতীয়পত্র

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২১, ২০:১৩

প্রমিত উচ্চারণের নিয়ম

মো. কামরুল হাসান

প্রভাষক

শামছুল হুদা খাঁন কলেজ

ঝিনাইদহ।

 

শুদ্ধ উচ্চারণচর্চা (পর্ব ৬)

 

গত পর্বের পর ...

 

‘অ’-এর উচ্চারণের নিয়ম

‘অ’-এর উচ্চারণের তিনটি ভাগ রয়েছে ।

১. আদ্য-অ (শব্দের শুরুতে)

২. মধ্য-অ (শব্দের মাঝে)

৩. অন্ত্য-অ (শব্দের শেষে)

আদ্য-অ

সূত্র ১০: শব্দের প্রথমে যদি র-ফলা যুক্ত থাকে, তাহলে আগের অ-এর উচ্চারণ ও-কারান্ত হয়।

যেমন:

প্রথম প্রথম ভ্রমণে ব্রতী হলে শ্রমের ভয়ে ত্রস্ত হতে হয়।

শব্দগুলোর উচ্চারণগুলো লক্ষ করি:

বানান                       উচ্চারণ

প্রথম                           প্রোথোম্

ভ্রমণ                          ভ্রোমোন্

ব্রতী                           ব্রোতি

শ্রম                            স্রোম্

ত্রস্ত                            ত্রোস্তো

ব্যতিক্রম: র-ফলা’র পরে য় থাকলে অ-কার ও-কারের মতো উচ্চারিত হয় না ।

বানান                  উচ্চারণ

ক্রয়                            ক্রয়্

আশ্রয়                                        আস্স্রয়্

সূত্র ১১:একবারে উচ্চারিত হয় এমন শব্দের শেষে দন্ত্য-ন থাকলে, আগের অ-এর উচ্চারণ সাধারণত ও-কারান্ত হয়।

শব্দগুলোর উচ্চারণগুলো লক্ষ করি:

বানান                  উচ্চারণ

মন                            মোন্

বন                            বোন্

জন                           জোন্

তবে, একবারে উচ্চারিত হয় এসব মূল শব্দের সাথে অন্য শব্দ যুক্ত হলে, আগের অ-এর উচ্চারণ সাধারণত ও-কারান্ত হয় না।

যেমন:

বানান                  উচ্চারণ

জনগণ                      জনোগন্

মনস্কাম                      মনোশ্কাম্

ব্যতিক্রম :

বানান                  উচ্চারণ

ধন                            ধন্ (ধোন্ নয়)

একবারে উচ্চারিত হয় এমন শব্দের শেষে মূর্ধন্য-ণ থাকলে, আগের অ-এর উচ্চারণ সাধারণত ও-কারান্ত হয় না।

যেমন:

বানান                  উচ্চারণ

গণ                             গন্

পণ                              পন্

চলবে ...