প্রমিত উচ্চারণের নিয়ম
মো. কামরুল হাসান
প্রভাষক
শামছুল হুদা খাঁন কলেজ
ঝিনাইদহ।
শুদ্ধ উচ্চারণচর্চা (পর্ব ৬)
গত পর্বের পর ...
‘অ’-এর উচ্চারণের নিয়ম
‘অ’-এর উচ্চারণের তিনটি ভাগ রয়েছে ।
১. আদ্য-অ (শব্দের শুরুতে)
২. মধ্য-অ (শব্দের মাঝে)
৩. অন্ত্য-অ (শব্দের শেষে)
আদ্য-অ
সূত্র ১০: শব্দের প্রথমে যদি র-ফলা যুক্ত থাকে, তাহলে আগের অ-এর উচ্চারণ ও-কারান্ত হয়।
যেমন:
প্রথম প্রথম ভ্রমণে ব্রতী হলে শ্রমের ভয়ে ত্রস্ত হতে হয়।
শব্দগুলোর উচ্চারণগুলো লক্ষ করি:
বানান উচ্চারণ
প্রথম প্রোথোম্
ভ্রমণ ভ্রোমোন্
ব্রতী ব্রোতি
শ্রম স্রোম্
ত্রস্ত ত্রোস্তো
ব্যতিক্রম: র-ফলা’র পরে য় থাকলে অ-কার ও-কারের মতো উচ্চারিত হয় না ।
বানান উচ্চারণ
ক্রয় ক্রয়্
আশ্রয় আস্স্রয়্
সূত্র ১১:একবারে উচ্চারিত হয় এমন শব্দের শেষে দন্ত্য-ন থাকলে, আগের অ-এর উচ্চারণ সাধারণত ও-কারান্ত হয়।
শব্দগুলোর উচ্চারণগুলো লক্ষ করি:
বানান উচ্চারণ
মন মোন্
বন বোন্
জন জোন্
তবে, একবারে উচ্চারিত হয় এসব মূল শব্দের সাথে অন্য শব্দ যুক্ত হলে, আগের অ-এর উচ্চারণ সাধারণত ও-কারান্ত হয় না।
যেমন:
বানান উচ্চারণ
জনগণ জনোগন্
মনস্কাম মনোশ্কাম্
ব্যতিক্রম :
বানান উচ্চারণ
ধন ধন্ (ধোন্ নয়)
একবারে উচ্চারিত হয় এমন শব্দের শেষে মূর্ধন্য-ণ থাকলে, আগের অ-এর উচ্চারণ সাধারণত ও-কারান্ত হয় না।
যেমন:
বানান উচ্চারণ
গণ গন্
পণ পন্
চলবে ...
