স্মরণ : মীজানুর রহমান

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২১, ২০:১৯

 

আজ সাংবাদিক মীজানুর রহমানের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিক। মহান ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে জাতীয় জীবনের বিভিন্ন সংকটকালে তিনি তাঁর অবস্থানে থেকে রাজনীতিবিদদের সঙ্গে সেতুবন্ধ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।  পেশাগত জীবনে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা ও সান্নিধ্য লাভের সুযোগ হয়েছে।

মীজানুর রহমানের কর্মজীবন শুরু দৈনিক ইত্তেফাক থেকে। পরে তিনি বাংলাদেশ প্রেস ইন্টারন্যাশনাল (বিপিআই) ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় (বাসস) দায়িত্ব পালন করেন। বাসসের বাণিজ্যিক সম্পাদক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সাংবাদিক ফোরামের স্বার্থ রক্ষায় তিনি ছিলেন সব সময় সক্রিয়।  দৈনিক ইত্তেফাকের চিফ রিপোর্টার ছিলেন। ক্রীড়া সাংবাদিক হিসেবে বেশ খ্যাতি ও সুনাম অর্জন করেছিলেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে ক্রীড়া লেখক সমিতির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। মোহামেডান ও ঢাকা ওয়ানডারার্স ক্লাব এবং ঢাকা জেলা ক্রীড়া সমিতির সদস্য হিসেবে খেলাধুলার মান উন্নয়নে বেশ বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে  গেছেন।

গাজীপুর জেলার টঙ্গী এলাকায় মীজানুর রহমানের গ্রামের বাড়ি। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সংগঠক হিসেবে দক্ষতা অর্জন করেছিলেন। ১৯৭৪ সালে তিনি টঙ্গী পৌরসভা প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধুকে অনুরোধ করলে বঙ্গবন্ধু টঙ্গী  পৌরসভা ঘোষণা করেন, যা বর্তমানে গাজীপুর সিটি করপোরেশন। বাংলাদেশ জাতিসংঘ সমিতি, বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে তিনি ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের কমিটিতে ছিলেন। আজকের এইদিনে তাঁর স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।

আতাউর রহমান