ইত্তেফাক রিপোর্ট
করোনা সংকটের এ সময়ে আয়-বৈষম্য বৃদ্ধি পাওয়ায় অতি দরিদ্র ও দরিদ্রদের পাশাপাশি নিম্ন আয়ের একাংশ নিয়মিত খাদ্য কিনতে পারছে না। এতে দরিদ্র নারী ও শিশুদের পুষ্টিহীনতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থায় অতি দরিদ্র এবং নতুনসহ সব দরিদ্রের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে আরো বেশি বরাদ্দ দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা গতকাল রাজধানীতে ‘করোনাকালে বেঁচে থাকার লড়াই: খাদ্য, চিকিত্সা ও ভ্যাকসিনের সংস্থান’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনাসভায় বক্তারা এ দাবি জানান। খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ এই সভার আয়োজন করে। পিকেএসএফের চেয়ারম্যান ও সংগঠনটির সভাপতি ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএনডিপির দেশীয় অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ।
ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, করোনার এ সংকট সরকারের একার পক্ষে সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। বেসরকারি সংস্থাগুলোকে এক্ষেত্রে আরো কাজ করতে হবে। খাদ্যব্যবস্থায় করপোরেট আধিপত্য বাড়ার পেছনে তাদের আর্থিক সামর্থ্য যেমন একটি বিষয়, আন্তর্জাতিক নানা চক্রও এর সঙ্গে যুক্ত। এ সময়ে জীবন বাঁচাতে যেমন টিকা দিতে হবে, জীবিকা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ চালিয়ে যেতে হবে।
ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, ‘এ মুহূর্তে কোভিড বাস্তবতায় ভ্যাকসিনেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সবাইকেই টিকে থাকার লড়াইয়ে থাকতে হবে।
খাদ্য অধিকার বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মহসিন আলী তার উপস্থাপনায় বলেন, করোনার কারণে নিম্নবিত্তসহ মধ্যবিত্তের একাংশের জীবিকা পরিস্থিতি এখন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন কেয়ার বাংলাদেশের পরিচালক আমানুর রহমান, অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের ডেপুটি ম্যানেজার অমিত দেসহ খাদ্য অধিকার বাংলাদেশের বিভাগ ও জেলা পর্যায়ের অন্য নেতৃবৃন্দ।
