স্পোর্টস রিপোর্টার
টোকিও অলিম্পিক গেমস শুরু হবে ২৩ জুলাই। গেমস নিয়ে যতটানা আলোচনা, তার চেয়ে ঢের বেশি আলোচনা হচ্ছে করোনা নিয়ে। এরই মধ্যে গেমস ভিলেজে ঢুকে পড়েছে করোনা। করোনার ঠেকাতে এতো নিয়ম-কানুন, পদে পদে শক্ত বাধা পেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা মেনেও করোনা ঠেকানো যায়নি। ১৫ জন শনাক্ত হয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) প্রধান থামস বাখ সংবাদ সম্মেলনেও তিনি বলেছেন, করোনা শনাক্ত হওয়ার কথা। টোকিওতে ঢোকার সময় নেগেটিভ থাকলেও গেমস ভিলেজে পরীক্ষা করে দেখা গেছে পজিটিভ। আইওসির প্রধান জানিয়েছেন, যারা পজিটিভ ধরা পড়ছেন তাদের সম্পূর্ণভাবে আলাদা করে ফেলা হয়েছে। তবে জানা গেছে, ক্রীড়াবিদ ছাড়াও যারা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন এদের মধ্যে গেমসে কাজ করছেন এমন ব্যক্তি আছেন ১৩ জন। বিদেশি সংবাদ মাধ্যমের দুই জন আছেন।
টোকিও হতে জানা গেছে, বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা খুব সাবধানে চলাচল করছেন এখানকার বিধিনিষেধ মেনে চলছেন। শনিবার রাতে আর্চারি এবং শুটিং দল টোকিও পৌঁছেছে। গতকাল হতে অনুশীলনও করেছে। টোকিও থেকে বিওএর একজন কর্মকর্তা জানান, শুটিং এবং আর্চারির খেলোয়াড়রা প্রথম দিন অনুশীলন করেছেন সেটি হালকা অনুশীলন।
অলিম্পিক গেমসে যারা অংশগ্রহণ করেন তারা নির্দিষ্ট গেমস ভিলেজে অবস্থান করেন। ক্রীড়াবিদ কোচদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের অবকাঠামো তৈরি করা হয়। সেখানে সব দেশের ক্রীড়াবিদ একটা নির্দিষ্ট জায়গার মধ্যেই থাকেন। আর তাই সংক্রমণ হওয়ারও ভয় থাকে। গেমস ভিলেজে সবার জন্য পরীক্ষা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অলিম্পিক গেমস আয়োজক কমিটির একজন কর্মকর্তা মাসা তাকায়া সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, যারাই গেমস ভিলেজে প্রবেশ করছে তাদের জন্য করোনা শনাক্ত করতে স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে শনাক্ত হয়েছে তবে শনাক্তদের হোটেলে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।
করোনা আতঙ্কে অনেক দেশের টেনিস তারকা নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এখন প্রতিদিন যেভাবে আতঙ্কের কথা ছাড়াচ্ছে তাতে টোকিও অলিম্পিক গেমসের ভাগ্যে কি আছে কে জানে। তবে গেমস আয়োজকরা সুস্থভাবে এই আয়োজন শেষ করতে বদ্ধপরিকর। জাপানের জন্য এটি এখন বড় চ্যালেঞ্জ। জাপানিরা অনেক বড় বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়েছেন। এই গেমসটিও চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করেছেন জাপানের সরকার।
