পঞ্চম শ্রেণির বাড়ির কাজ

আপডেট : ১৯ জুলাই ২০২১, ১৯:৫১

যানবাহনে জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গত হয়

বিজ্ঞান

হিমন এডওয়ার্ড গমেজ, সিনিয়র শিক্ষক

সেন্ট গ্রেগরী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

 

অধ্যায়টি ভালোভাবে প্রথমে পড়ে নেবে

বায়ু

১. পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস বেড়ে যাওয়ার কারণগুলো পাঁচটি বাক্যে লেখ।

উত্তর:পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস বেড়ে যাওয়ার কারণ—

ক. যানবাহনে জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গত হয়।

খ. কলকারখানায় কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের কারণে কার্বন ডাইঅক্সাইড উত্পন্ন হয়।

গ. পরিবেশে শুকনা গাছের ডাল, পাতা ইত্যাদি পোড়ালে কার্বন ডাইঅক্সাইড উত্পন্ন হয় যা পরিবেশ দূষিত করে।

ঘ. বনজঙ্গল ধ্বংসের কারণে গাছপালা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য উত্পাদনে পরিবেশের কার্বন ডাইঅক্সাইড ব্যবহার করতে পারে না।

ঙ. ইটের ভাটা থেকে নির্গত কার্বন ডাইঅক্সাইড বায়ুমণ্ডলে গ্যাসটির পরিমাণ বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

২. বায়ু দূষণ কী? বায়ু দূষণ রোধের চারটি উপায় লেখ।                               

উত্তর:বায়ুর স্বাভাবিক উপাদানের পরিবর্তন হওয়াকে বায়ুদূষণ বলে। বায়ু দূষণ রোধের চারটি উপায় হলো—

১. কালো ধোঁয়া উত্পাদন করে এমন যানবাহনের ব্যবহার বন্ধ করা।

২. ইটের ভাটা লোকালয় থেকে দূরে স্থাপন করা।

৩. কলকারখানায় কম জ্বালানী ব্যবহূত হয়, এমন উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা।

৪. বনভূমি সংরক্ষণ করা ও গাছ লাগিয়ে নতুন বনভূমি সৃষ্টি করা।

৩. ধূমপান ক্ষতিকর কেন?

উত্তর:ধূমপানের ফলে কার্বন কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গত হয় যা বায়ুকে দূষিত করে ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের একটি কারণ। ধূমপায়ী ব্যক্তির মুখে ঘা, ফুসফুস ক্যান্সারসহ নানারকম জটিল রোগে ভোগে। ধূমপানকারী ব্যক্তির আশেপাশে থাকা লোকজনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই বলা যায়, ধূমপান সবার জন্যই ক্ষতিকর।

৪. তিশা যে বাসে করে বিদ্যালয় যায়, তার থেকে নির্গত ধোঁয়া বায়ু দূষণ করে। আর কোন কোন পদার্থ এই দূষণ ঘটায়? এই দূষণের চারটি কারণ লেখ।               

উত্তর:বিভিন্ন ধরনের পদার্থ যেমন— রাসায়নিক পদার্থ, গ্যাস, ধূলিকণা, দুর্গন্ধ বায়ুতে মিশে বায়ু দূষিত করে।

বায়ু দূষণের চারটি কারণ হলো—

১. জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো।

২. কলকারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া।

৩. যেখানে সেখানে ময়লা আর্বজনা ফেলা।

৪. যেখানে সেখানে মলমূত্র ত্যাগের কারণে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে বায়ু দূষিত হয়।

৫. তোমার ছোট ভাই কিছুদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভুগছে। পরিবেশে কোন দূষণের ফলে  তার এই রোগ হলো? পরিবেশের উপর এর দুটি প্রভাব লেখ। দূষণ প্রতিরোধে তোমার করণীয় ২টি বাক্যে লেখ।                                                                                                     

উত্তর:বায়ুদূষণের ফলে শ্বাসজনিত রোগ সৃষ্টি হয়েছে।

 পরিবেশের উপর বায়ু দূষণের দুটি প্রভাব হলো—

১. পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

২. এসিড বৃষ্টি হচ্ছে।

দূষণ প্রতিরোধে করণীয় কাজ হলো—

১. জীবাশ্ম জ্বালানির অতিরিক্ত ব্যবহার কমানো।

২. ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করে গাছ লাগানো।