কঠোর লকডাউনে রাস্তাঘাট ফাঁকা

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ২১:৪২

ইত্তেফাক ডেস্ক

ঈদের পর কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন শুক্রবার বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কড়াকড়ি ভাবে টহল দিতে দেখা গেছে। রাস্তাঘাট ছিল অনেকটাই ফাঁকা। বন্ধ ছিল বেশির ভাগ দোকানপাট।

বরিশাল অফিস প্রধান জানান : বরিশালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর অবস্থানে দেখা গেছে। রাস্তাঘাট ছিল অনেকটাই ফাঁকা। নগরীতে তিনটি পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন। ওষুধ এবং খাদ্যপণ্যের দোকান ছাড়া অন্যান্য দোকানপাট বন্ধ ছিল। তবে পাড়া মহল্লায় কিছু চায়ের দোকান খোলা রাখতে দেখা গেছে।  

বাগেরহাট প্রতিনিধি জানান : বাগেরহাট জেলা ও উপজেলা শহরের হাট-বাজারের অধিকাংশ দোকাপাট-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। সকাল থেকে শহরে টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলারক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। তবে, এসবের ফাঁকগলিয়ে সড়ক-মহাসড়কে যাত্রীবাহী কিছু দূরপাল্লার পরিবহনসহ মহেন্দ্র, ইজিবাইক, ইঞ্জিনচালিত নসিমন-করিমন, রিকশা-ভ্যান চলাচল করতে দেখা গেছে।

মাগুরা প্রতিনিধি জানান : মাগুরা জেলায় কঠোর লকডাউন চলছে।  শহরের প্রবেশ পথসহ বিভিন্ন পাড়া মহল্লার প্রবেশ পথে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। সমস্ত দোকান, মার্কেট, গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। চলছে না যানবাহন।

আটোয়ারী (পঞ্চগড়) সংবাদদাতা জানান : কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মোটরসাইকেল শোডাউন কর্মসূচি পালন করেছে আটোয়ারী থানাপুলিশ। পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার মোহা. ইউসুফ আলীর নির্দেশে সকালে আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইজার উদ্দীনের নেতৃত্বে এই শোডাউন পালন করা হয়। এ সময় পুলিশ অফিসাররা পথচারীদের স্বাস্থ্যবিধি এবং বিধিনিষেধ মেনে চলার পরামর্শ দেন।

কাঠালিয়া (ঝালকাঠি) সংবাদদাতা জানান, চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধের প্রথম দিন শুক্রবার কাঠালিয়ায় সব সড়ক প্রায় ফাঁকা ছিল। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে মানুষের উপস্থিতি ছিল কম। চোখে পড়েনি মোটরচালিত কোনো যানবাহন। শহরের বিভিন্ন স্থানে উপজেলা প্রশাসন, সেনাসদস্য, পুলিশ রাস্তায় টহল দিচ্ছে। সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের টিম, সেনাসদস্য ও পুলিশ। এদিকে ভাণ্ডারিয়া-কাঠালিয়া সড়কের বিনাপানি, আমুয়া-বামনা সড়কে ও রাজাপুর-কাঠালিয়া সড়কের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এ বিষয়ে কাঠালিয়া থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত) পুলক চন্দ্র রায় জানান, লকডাউন বাস্তবায়নে আমাদের ছয়টি মোবাইল টিম কাজ করছে।