গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) সংবাদদাতা
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বিস্তার রোধে সরকার ঘোষিত লকডাউনের প্রথমদিনে প্রায় যানবাহন শূন্য হয়ে পড়েছে ব্যস্ততম নৌপথ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া। সকাল ১০টার পর থেকে ঘাটে জরুরি সেবার গাড়ি ছাড়া অন্য আর কোনো যানবাহন দেখা যায়নি। বর্তমানে ব্যস্ততম দৌলতদিয়া ঘাট ফাঁকা, গাড়িশূন্য।
ঘাট সূত্রে জানা যায়, ঈদের পরের দিনই দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ছিল গাড়ির চাপ। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৬ হাজার যানবাহন পারাপার হয়েছে এ নৌপথে। এর মধ্যে ব্যক্তিগত যানবাহন ছিল সবচেয়ে বেশি। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি উপেক্ষা করে ফেরিতে গাদাগাদি করে নদী পার হয়েছে সাধারণ মানুষ। শুক্রবার সকালের দিকেও দেশের গুরুত্বপূর্ণ নৌরুটের দৌলতদিয়া প্রান্তে ঢাকামুখী যানবাহন ও মানুষের ভিড় দেখা গেছে। প্রতিটি ফেরিতে গাদাগাদি করে কোনো প্রকার স্বাস্থ্যবিধি না মেনে পার হয়েছে মানুষ। তবে সকাল ১০টার পর থেকে ঘাটে জরুবি সেবার গাড়ি ছাড়া অন্য আর কোনো যানবাহন দেখা যায়নি, বর্তমানে ব্যস্ততম দৌলতদিয়া ঘাট ফাঁকা, গাড়িশূন্য।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক মো. শিহাব উদ্দিন জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া প্রান্ত থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) ভোর ৬টা থেকে শুক্রবার (২৩ জুলাই) ভোর ৬টা পর্যন্ত মোট ৫ হাজার ৮৬৩টি যানবাহন নদী পার হয়েছে। এর মধ্যে দূরপাল্লার বাস পার হয়েছে ৯৩৩টি, প্রাইভেটকার-মাইক্রো পার হয়েছে ৪ হাজার ৭৮০টি এবং পণ্যবাহী ট্রাক পার হয়েছে ১৫০টি। এ ছাড়াও এ রুটে গত ২৮ ঘণ্টায় ৭০০টি মোটর সাইকেল ও ৩ হাজার ৪৯১ জন লোকাল যাত্রী ফেরি পার হয়েছে। বর্তমান এই নৌরুটে ১৬টি ফেরি রয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার রাতে আসা ফেরি পারের অপেক্ষায় থাকা গাড়িগুলোকে সকালে পারাপার করা হয়েছে। সকাল ১০টার পর থেকে ঘাট যানবাহন শূন্য হয়ে গেছে।
