প্রবীণ সাংবাদিক, জাতীয় প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস আর নেই। করোনায় আক্রান্ত হয়ে বুধবার সন্ধ্যায় তিনি সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি... রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও আত্মীয় স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
রুহুল কুদ্দুস অত্যন্ত প্রতিভাবান একজন সাংবাদিক ছিলেন। তিনি সর্বশেষ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় সিনিয়র সাব এডিটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। চার বছর আগে অবসরে যান। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে তিনি ১৯৮০ সালে সাপ্তাহিক পাবনা বার্তায় সাংবাদিক হিসেবে যোগদান করেন। ঢাকায় এসে দৈনিক বাংলা, বাসসসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করেন।
এক সময় বাংলাদেশ টেলিভিশনে নদী ও পানিবিষয়ক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘সুখ দুঃখের নদী’ এবং ‘দৈনন্দিন খাবার ও পুষ্টি’ অনুষ্ঠান পরিকল্পনা, উপস্থাপনা ও পরিচালনা করতেন তিনি। বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা মৈত্রী সমিতির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব ছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার পাবনার বেড়ায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান এক বিবৃতিতে ক্লাব সদস্য রুহুল কুদ্দুসের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। নেতৃবৃন্দ শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি মামুন ফরাজী ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান হূদয়।
