বাংলা সাহিত্যকে নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২২:৩৬

বইমেলা বেশ সুন্দর গোছানো হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসার পর ধীরে ধীরে গুছিয়ে উঠছে মেলা। এবার তা আরও সুন্দর হয়েছে। বইমেলার মাত্রা দিন দিন বাড়ছে। বই লেখার বিষয়-ভাবনা, সৃষ্টিশীলতা, লেখনি-ভঙ্গি সবদিক থেকেই বাংলা ভাষা বদলে যাচ্ছে, বিকশিত হচ্ছে। আর সেই বিকাশমানতার পথে বাংলা সাহিত্যকে নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ। পশ্চিমবঙ্গ আমাদের অনুসরণ ও অনুকরণ করছে। এই বিকাশমানতার পথে বাংলা একাডেমির অবদান খুব উল্লেখযোগ্য। অনুবাদ সাহিত্যেও এই বদলের ছোঁয়া লেগেছে। বাংলা একাডেমি                 অনুবাদ সাহিত্যেও ভালো করেছে। সৌভাগ্যবশত বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকরা সবাই কৃতী ও যোগ্য ব্যক্তিত্ব ছিলেন। যারা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে আধুনিক করে তুলতে ভূমিকা রেখেছেন।

অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের মাঝেও নেই নেই করে ৩৪ টি গ্রন্থ লেখা হয়ে গেছে। এবারের মেলায় সময় প্রকাশনী প্রকাশ করেছে আমার ‘নির্বাচন ও প্রশাসন’ এবং ‘আমার সিলেট’ দুটি গ্রন্থ। এ প্রকাশনী থেকেই আমার প্রায় ১১টি বই বের হয়ে গেল। ‘নির্বাচন ও প্রশাসন’ বইটিতে আমি বাংলাদেশে নির্বাচন রিফর্মসে আমার যে সংশ্লিষ্টতা সে সকল বিষয়কে তুলে এনেছি। বিশেষ করে ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে যে সমস্ত নির্বাচনী রিফর্মস হয়েছে যা নিয়ে পরে আওয়ামী লীগের নেতারা নির্বাচনী আলোচনা করে একটি সমাধানে এসেছেন সেই সময়ে আমার ভূমিকার বিষয়গুলোও উঠে এসেছে।  লেখক: সাবেক অর্থমন্ত্রী