ব্যাটিং ব্যর্থতায় হারল বাংলাদেশ

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ২১:৫৯

স্পোর্টস রিপোর্টার

ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিতই বাঁহাতি স্পিনারদের খেলে থাকেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। অথচ গতকাল জিম্বাবুয়ের ওয়েলিংটন মাসাকাদজার বাঁহাতি স্পিনেই ঘায়েল হলো বাংলাদেশ। অবশ্য রান তাড়ার চাপ, পরিকল্পনাহীন ব্যাটিংও সর্বনাশ ডেকে এনেছে। জিম্বাবুয়ে সফরে টানা ৫ ম্যাচ জয়ের পর হারের মুখ দেখল বাংলাদেশ। ব্যাটিং ব্যর্থতায় গতকাল সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ২৩ রানে হেরে গেছে মাহমুদউল্লাহর দল।

জিম্বাবুয়ের জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ এ সমতা ফিরল। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে আগামীকাল সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-২০ তে মুখোমুখি হবে দুই দল। গতকাল আগে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে ৬ উইকেটে ১৬৬ রান তুলেছিল। জবাবে ১৯.৫ ওভারে ১৪৩ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ওয়েসলি মাধেভেরে ম্যাচ সেরা হন।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ, ৬৮ রানে হারিয়ে বসে ৬ উইকেট। মুজারাবানির ছোবলে তিন ওভারেই ফিরে যান দুই ওপেনার নাঈম শেখ (৫), সৌম্য সরকার (৮)। দলীয় ৪৫ রানে ওয়েলিংটন মাসাকাদজার বলে কভারে ক্যাচ দেন সাকিব আল হাসান (১২)। নবম ওভারে চার বলের ব্যবধানে মাসাকাদজাকে উইকেট দেন মাহমুদউল্লাহ (৪), শেখ মেহেদী হাসান (১৫)। দুজনই এ বাঁহাতি স্পিনারকে ছক্কা মারতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ধরা পড়েন। মাসাকাদজা ২০ রানে ৩ উইকেট নেন। ৬৮ রানে সোহান (৯) ফিরলে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে বাংলাদেশ।

শেষ দিকে অভিষিক্ত শামীমের ১৩ বলে ২৯, আফিফের ২৪, সাইফউদ্দিনের ১৯ রানে হারের ব্যবধান কমিয়েছে বাংলাদেশ। লুক জঙ্গিয়ে তিনটি, মুজারাবানি-চাতারা দুটি করে উইকেট পান।

এর আগে টসজয়ী জিম্বাবুয়ের পক্ষে ইনিংস সর্বোচ্চ ৫৭ বলে ৭৩ রানের (৫ চার, ৩ ছয়) ইনিংস খেলেন মাধেভেরে। চাকাভা ১৪, ডিয়ন মায়ার্স ২৬, রায়ান বার্ল ১৯ বলে অপরাজিত ৩৪ রান করেন। বাংলাদেশের পক্ষে শরীফুল ক্যারিয়ার সেরা ৩৩ রানে ৩ উইকেট পান। সাকিব ও মেহেদী হাসান একটি করে উইকেট পান।

গত ২০ জুলাই সফরের তৃতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ৩-০ তে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল টাইগাররা। আগে ব্যাট করে ৪৯.৩ ওভারে ২৯৮ রানে অলআউট হয়েছিল স্বাগতিকরা। জবাবে অধিনায়ক তামিম ইকবালের ১৪তম ওয়ানডে সেঞ্চুরিতে ৪৮ ওভারে ৫ উইকেটে ৩০২ রান তুলে জয় নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। তামিম ১১২, লিটন ৩২, সাকিব ৩০, মাহমুদউল্লাহ ৩০, নুরুল হাসান সোহান অপরাজিত ৪৫, আফিফ অপরাজিত ২৬ রান করেছিলেন। তামিম ম্যাচ সেরা ও সাকিব সিরিজ সেরা হয়েছিলেন।

ঈদের ছুটির মাঝে পরিবর্তিত সূচিতে সিরিজের প্রথম টি-২০ ম্যাচেও ৮ উইকেটের বড় জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে ১৯ ওভারে ১৫২ রানে অলআউট হয়েছিল। পরে ১৮.৫ ওভারে ২ উইকেটে ১৫৩ রান তুলে জয় পায় বাংলাদেশ। সৌম্য ৫০, নাঈম শেখ অপরাজিত ৬৩, সোহান অপরাজিত ১৬ রান করেন। সৌম্য ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন।