গাজীপুরে গরু ব্যাপারীদের ১৩ লাখ টাকা লুট

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ০০:১২

গাজীপুরে ঈদের আগের দিন রাতে ডাকাতি করে সাত গরু ব্যাপারীর ১৩ লাখ টাকা লুটে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে, ঈদের আগের রাতে (মঙ্গলবার) কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার গফরগাঁও গ্রামের মুঞ্জুরুল হকসহ সাত জন ব্যাপারী ঢাকার ভাটরা থানার নতুনবাজার পশুর হাটে গরু বিক্রি করে বাড়ি ফেরার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সন্ধ্যার দিকে একটি ট্রাক ময়মনসিংহের গফরগাঁও যাওয়ার কথা বলে তাদের ট্রাকে উঠায়। ট্রাকটি রাত ৮টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর সদর থানার সালনা ব্রিজে পৌঁছালে যাত্রীবেশী ডাকাতরা গরু ব্যাপারীদের মারপিট করে ব্যাগে থাকা গরু বিক্রির ১৩ লাখ নিয়ে নেয়। পরে সদর উপজেলার জয়দেবপুর থানার রাজেন্দ্রপুর-ডগরী সড়কের বাঁশরী পিকনিক স্পটের কাছে গজারি বনে তাদের ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় ডাকাতদল। রাত ১২টার দিকে জয়দেবপুর থানার এসআই মো. সুলতান তাদের উদ্ধার করে গুরুতর অসুস্থ তিন জনকে চিকিত্সার জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। রাতেই ব্যাপারী মঞ্জুরুল হক সদর থানায় মামলা করতে গেলে ডিউটি অফিসার মামলা না নিয়ে যে থানা এলাকা থেকে ব্যাপারীদের উদ্ধার করা হয় সেখানে অর্থাত্ জয়দেবপুর থানায় যেতে বলেন। ভোর হয়ে যাওয়ায় ঐ দিন না গিয়ে ঈদের পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে জয়দেবপুর থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলে ওসি ঘটনার উত্পত্তি স্থান ঢাকার ভাটরা থানায় যেতে বলেন।

মঞ্জুরুল হক বলেন, ডাকাতদের লাঠিপেটায় জয়নাল ও রিপনের মাথা ফেটে এবং শহিদুল্লাহর হাত ভেঙে যায়। জয়নালের মাথায় ২১টি এবং রিপনের মাথায় ১৭টি সেলাই দিতে হয়েছে। রাতেই মামলার জন্য সদর থানায় গেলে জয়দেবপুর থানায় যেতে বলে। জয়দেবপুর গেলে ভাটারা থানায় যেতে বলেন। ভাটারা থেকেও জয়দেবপুর যেতে বলে। শুক্রবার আবার জয়দেবপুর থানায় আসলেও মামলা নেওয়া হয়নি।

জয়দেবপুর থানার ওসি মামুন আল রশিদ জানান, ঘটনার সূত্রপাত ভাটারা থানায়। আর ডাকাতি শুরু হয়েছে সদর থানায়। তাই মামলা ঐ দুই থানায় হবে।