‘এই শোক নিতে পারছি না’

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ০০:৪১

একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল তার জন্ম তারিখ। মারা গেলেন একাত্তর বছর বয়সে। ৭১ আর ২১ দুটিই আমাদের বাঙালি চেতনার অমর সংখ্যা। শিল্পী ফকির আলমগীর তার সারাটা জীবন যে চর্চাটা করে গেছেন গানে গানে তা গণমানুষের, স্বকীয় সংস্কৃতির চর্চা। তার এই প্রয়াণে কাছের মানুষের তাত্ক্ষণিক অনুভূতি, অনুস্মৃতি ব্যক্ত করলেন বিনোদন প্রতিদিনের কাছে—

 

সৈয়দ আব্দুল হাদী : প্রাণখোলা মানুষ ছিল ফকির আলমগীর। যাকে সে চিনত অনেক বছর ধরে, তার সঙ্গেও যেমন, যাকে সে প্রথম দেখল তার সঙ্গে একইভাবে আপন হয়ে কথা বলতো। এ রকম আপন করে নেওয়া মানুষ কম দেখেছি। করোনায় আমার এই প্রিয় মানুষটিও চলে গেল। তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।

 

তপন চৌধুরী : মাস দুয়েক আগে বাংলাদেশে থাকতে কথা হলো। দেখা হলেই জড়িয়ে ধরা। মজা করে বললেন, আরে করোনার ডর নাই। বুকে জড়ায়ে ভালোবাসা দিলে করোনা ধরে না। কত শত প্রোগ্রাম করেছি একসঙ্গে। দেশে-বিদেশে, বলে শেষ করা যাবে না! আজ এই মৃত্যু সংবাদ পেয়ে আমার কাছে তার ঐ কথাগুলোই বারবার মনে পড়ছে। যেখানে থাকুন ফকির ভাই ভালো থাকবেন জানি। ঈশ্বরের কাছে আমার ভাইটার জন্য প্রার্থনা।

 

সামিনা চৌধুরী : কিছু বলার নেই। যেদিন ফকির ভাই করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে, সেদিন থেকেই প্রতি ওয়াক্তে প্রার্থনা করেছি, তার সুস্থতার জন্য। ওপরওয়ালা তাকে নিয়েই গেলেন। সর্বশেষ বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে কত কথা। এত পরিশ্রম করতে পারতেন তিনি। সত্যিই মনটা ভীষণ খারাপ লাগছে। একে একে যেন নিভছে সব। কতজনকে হারালাম। এই শোক আর নিতে পারছি না।

 

আসিফ আকবর : ফকির আলমগীর ছিলেন আমাদের প্রাণের বড় ভাই। সবাইকে তো আপন ভাবা যায় না। তাকে দেখলেই মনে হতো এই মানুষটি আমার ভীষণ কাছের। ফকির ভাই নিজের ব্যবহারে সেটি অর্জন করেছিলেন। তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।