বেরোবির চালচুলা

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২১:৩৩

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই বিভিন্ন রকম সমস্যায় জর্জরিত এবং নতুন সমস্যা তৈরি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ২১টি বিভাগ এবং ১টি ইনস্টিটিউটের ছাত্রছাত্রী সংখ্যা প্রায় ১২ হাজার। তার বিপরীতে শিক্ষক সংখ্যা মাত্র ১৮৭। আর ১২ হাজার ছাত্রছাত্রীর জন্য ৪টি (চার তলা বিশিষ্ট) একাডেমিক ভবনে শ্রেণিকক্ষের সংখ্যা খুবই অপ্রতুল। প্রতি বিভাগের জন্য ১টি অথবা ২টি করে শ্রেণিকক্ষ বরাদ্দ। যদিও  সেসব শ্রেণিকক্ষে ৩০ জনের বসার ব্যবস্থা থাকলেও একসঙ্গে বসতে হয় প্রায় ৭০ জনকে। সঙ্গে ভাঙাচোরা চেয়ার, ধুলো-ময়লাসহ মশার উপদ্রব তো আছেই। বিভিন্ন সংগঠনের প্রচেষ্টায় ক্যাম্পাসকে পরিচ্ছন্ন করতে দেখা গেলেও আসল চিত্র ধরা পড়ে ওয়াশরুমে ঢুকলেই। প্রতি ১৭৫ জনে টয়লেট বরাদ্দ মাত্র ১টি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের নকশা অনুমোদন বছর পেরিয়ে গেছে, অথচ সেটা কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ। মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে নির্মাণাধীন ‘স্বাধীনতা স্মারক’-এর কাজ অসম্পন্ন। ১২ হাজার ছাত্রছাত্রীর জন্য আবাসিক হল রয়েছে মাত্র ৩টি (তার মধ্যে মেয়েদের ১টি)। ছাত্রছাত্রীর জন্য হলে সিট পাওয়া কষ্টকর। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের ছাত্রাবাসগুলোতে অভিযোগের তালিকাটা অনেক লম্বা। আশা করি, এসব সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেবেন।

মো. গোলাম মোস্তফা কামাল

শিক্ষার্থী, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর