রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ও উপসর্গে মৃত্যু অবশেষে কমেছে। তবে অস্বাভাবিক বেড়েছে সংক্রমণের হার। রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিত্সাধীন অবস্থায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত চিকিত্সাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। এদের মধ্যে করোনা পজিটিভ সাত জন এবং উপসর্গে চার জন মারা যান। রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে সোমবার রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের ভাইরোলজি ল্যাব এবং রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মলিকুলার ল্যাবে রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ তিন জেলার ১৮৬ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা পজিটিভ এসেছে ১০৪ জনের। রাজশাহীর ১৪০ নমুনায় ৯১ জনের পজিটিভ, নওগাঁর ৪৪ নমুনায় ১৩ জনের পজিটিভ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুই নমুনায় সবার নেগেটিভ এসেছে। ফলে রাজশাহীতে সংক্রমণের হার দাঁড়িয়েছে ৬৫ দশমিক ৩০% এবং নওগাঁয় সংক্রমণের হার দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৫০%।
প্রসঙ্গত, এ নিয়ে জুলাই মাসের ২৪ দিনে রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে ৪২৯ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মারা যান ১৪ জুলাই ২৫ জন ও সবচেয়ে কম ৪ জুলাই ১২ জন। এর আগে গত জুন মাসে এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে করোনা ও উপসর্গে মারা যান ৪০৫ জন।
রামেক পরিচালক জানান, নতুন মৃতদের মধ্যে রাজশাহীর ছয় (পজিটিভ চার, উপসর্গে দুই) জন, নাটোরের এক (উপসর্গ এক) জন, পাবনা দুই (পজিটিভ এক, উপসর্গ এক) জন, নওগাঁর এক (পজিটিভ) জন ও কুষ্টিয়া এক (পজিটিভ) জন। এদের মধ্যে সাত জন পুরুষ এবং চার জন নারী। এদের ছয় জনের বয়স ৬১ এর ঊর্ধ্বে, চার জনের বয়স ৫১ এর ঊর্ধ্বে, এক জনের বয়স ৪১ ঊর্ধ্বে।
তিনি বলেন, শনিবার সকাল পর্যন্ত এ হাসপাতালের ৫১৩ বেডের বিপরীতে করোনা ও উপসর্গের রোগী ভর্তি রয়েছেন ৪১৯ জন।
