কোভিডের গুরুতর রোগীদের চিকিত্সায় পাঁচ প্রবাসী বাংলাদেশি চিকিত্সক ২৫০টি উন্নতমানের পোর্টেবল ভেন্টিলেটর পাঠিয়েছেন। গতকাল শনিবার রাতেই ভেন্টিলেটরগুলো দেশে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ সাদেকের নেতৃত্বে এসব ভেন্টিলেটরের ব্যবস্থা করেছেন দেশটির আরো চার প্রবাসী চিকিত্সক ডা. মাসুদুল হাসান, ডা. চৌধুরী হাফিজ আহসান ও ডা. মাহমুদুল খান শামস বাপ্পী এবং কানাডা প্রবাসী ডা. আরিফুর রহমান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে এই প্রবাসী পাঁচ চিকিত্সক গুরুতর কোভিড রোগীদের চিকিত্সায় ব্যবহারের জন্য এসব ভেন্টিলেটর বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন। ভেন্টিলেটরগুলো সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিত্সক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ। তিনি জানান, অনেক চিকিত্সা সরঞ্জামের সঙ্গে ভেন্টিলেটরগুলো ইতিমধ্যে দিল্লি থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিত্সক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ এসব ভেন্টিলেটর গ্রহণ করেন। এ সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (সেবা) লোকমান হোসেন মিয়া ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মো. খুরশিদ আলমমহ শীর্ষ কর্মকর্তারা।
ডা. আবদুল্লাহ বলেন, এসব ভেন্টিলেটর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে যেখানে প্রয়োজন যাবে। তিনি আরো বলেন, সাধারণত আইসিইউতে ভেন্টিলেটর বসানো থাকে। কিন্তু নতুন এসব ভেন্টিলেটর সহজে বহনযোগ্য। যে কোনো জায়গায় আমরা এগুলো ব্যবহার করতে পারব। এমনকি অ্যাম্বুলেন্সেওে ব্যবহার করা যায়। তবে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের যেখানে আইসিউর ব্যবস্থা নেই সেখানে এই ভেন্টিলেটর সহজে ব্যবহার করা যাবে। এতে উপজেলা পর্যায়ে করোনা আক্রান্ত রোগীরা উপকৃত হবেন। তাদের ঢাকার আসার প্রয়োজন হবে না।
তিনি বলেন, কোভিড চলে গেলে অন্য মুমূর্ষু রোগীর জন্যও আমরা এগুলো ব্যবহার করতে পারব। উপহার হিসেবে পাওয়া প্রতিটি ভেন্টিলেটরের দাম প্রায় ১৫ থেকে ১৬ হাজার মার্কিন ডলার বলে জানান তিনি।
নিউ ইর্য়ক প্রবাসী বাংলাদেশি চিকিত্সক ডা. মাসুদুল হাসান বলেন, এ ধরনের ভেন্টিলেটরসহ করোনা নিয়ন্ত্রণে আরো বেশ কিছু সামগ্রী আমরা বাংলাদেশে পাঠাব। প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে আমরা টিকা পাওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করেছি।
