রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নে তিস্তা নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। অব্যাহত ভাঙনে ইউনিয়নের উত্তর কোলকোন্দ কলোনীপাড়া গ্রামের দুই শতাধিক পরিবারের বাড়িঘরসহ তিস্তা নদীর ডানতীর মূল বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। মূল বাঁধ থেকে মাত্র ৫০ মিটার দূরেই এ ভাঙন রোধ করতে না পারলে মূল বাঁধও নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কলোনীপাড়া গ্রামের ফাহিমা বেগম (৪৫) জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে ব্লক দিয়ে ডাইক-পিছিং নির্মাণ করা হয়েছিল প্রায় দুই যুগ আগে। যা প্রায় এক যুগ আগেই তিস্তা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। তখন থেকেই এ গ্রামটি অরক্ষিত রয়েছে। এতদিন নদীর স্রোত দূর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তাই ভাঙন ছিল না। এবারে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হওয়ায় স্রোত প্রবলবেগে আঘাত হানছে ডান তীরের এ গ্রামে। ফলে এ গ্রামের শহিদুল ইসলাম কোনা, ফরিদুল, আমজাদ, আনারুল, আছাই বেগম, সরোয়ার, নুরুন্নবী, হযরত, আলম, মহুবার, রবিউল, আক্তারুল, আলমগীর, লাভলু, শামসুল, ফাহিমা বেগমসহ দুই শতাধিক পরিবারের বাড়িঘর ঝুঁকিতে পড়েছে। একই গ্রামের বাসিন্দা সরোয়ার বলেন, জরুরিভাবে ভাঙন প্রতিরোধ করা না গেলে এসব বাড়িসহ ডানতীর প্রতিরক্ষা বাঁধ তিস্তা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। ফলে বর্ষা মৌসুমে তিস্তা নদীর পানিতে গঙ্গাচড়া উপজেলা সদরসহ রংপুর মহানগরী তলিয়ে যাবে।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (এসডি-৩) প্রকৌশলী তৈয়বুর রহমান বলেন, ঐ এলাকা রক্ষায় একটি প্রকল্পের প্রস্তাবনা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবরে পাঠানো হয়েছে। বর্তমান ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি সহায়তা হিসেবে জিও ব্যাগ প্রদান করা যেতে পারে। যাতে স্থানীয়ভাবে বালু ভরাট করে ডাম্পিং করতে হবে।
