ইত্তেফাক রিপোর্ট
খেলাপি ঋণে জর্জরিত তারা, গ্রাহকদের জমানো টাকা ফেরতও দিতে পারছে না। তারপরও সুদের লোভনীয় অফার দেখিয়ে আমানত (অর্থ) সংগ্রহের চেষ্টা করছে দেশের ব্যাংকবহির্ভূত কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এসব প্রতিষ্ঠান এসএমএসের মাধ্যমে আমানতকারীদের দিচ্ছে প্রলোভন। সরকারের পক্ষ থেকে সিঙ্গেল ডিজিট (একক সংখ্যা) সুদহারের কথা বলা হলেও প্রতিষ্ঠানগুলো ১০ শতাংশেরও বেশি সুদে আমানত সংগ্রহ করছে। এসব কারণে ফার্স্ট ফাইন্যান্স, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স এবং প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে শোকজ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর আগে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে আমানত সংগ্রহের জন্য কারো মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানোর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২০১৮ সালের ২৬ জুন জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান উচ্চ সুদহারে আমানত সংগ্রহের জন্য পেশাজীবীসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের গ্রাহকের মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠাচ্ছে, যা কাঙ্ক্ষিত নয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিব্রতকর। এ প্রবণতা থেকে বিরত থাকতে সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেওয়া হলো। এর পরও উচ্চ সুদের প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকের মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানো বন্ধ হয়নি। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হচ্ছে। এ ধরনের এসএমএস কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনেক কর্মকর্তার মোবাইলেও এসেছে। অস্বাভাবিক সুদে আমানতের এসএমএসের বিষয়টি নিয়ে কর্মকর্তারাও বিব্রত।
