তেরোতেই সোনার পদক

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২১:২০

স্পোর্টস রিপোর্টার

আয়োজক হিসেবে একাধিক খেলা অন্তর্ভুক্ত করার অধিকার রাখে। জাপান সেটাই করেছিল। পাঁচটা ডিসিপ্লিন অন্তর্ভুক্ত করে। এর মধ্যে একটাতেই সোনার পদক এসে গেছে। স্কেটবোর্ডিং এবারই প্রথম টোকিও অলিম্পিক গেমসে যোগ হয়েছিল। একটাতেই ইতিহাস গড়ে নিল জাপান। জাপানের ১৩ বছরের কিশোরী সোনার পদক উপহার দিয়ে তাক লাগিয়েছেন। স্কেটবোর্ড স্ট্রিট ইভেন্টে মোমিজি নিশিয়া সোনার পদক জয় করেছেন। টোকিও অলিম্পিক গেমসে এই লড়াইটি বেশ আলোড়ন তুলেছে। প্রথম হয়েছে জাপানিকন্যা সোনার পদক পেয়েছে, আর দ্বিতীয়ত হচ্ছে এক পোডিয়ামে তিন জনই ছিলেন কিশোরী। ব্রাজিলের রাইসা রূপার পদক পেলেও সেও ১৩ বছর বয়সের, আর ব্রোঞ্জ পদক প্রাপ্ত নাকায়ামা ফুনার বয়স ১৬। পোডিয়ামের সবাই কিশোরী। অলিম্পিকের ইতিহাসে এটি রেকর্ড। এর আগে ১৯৩৬ সালে বার্লিন গেমসে যুক্তরাষ্ট্রের মারজোরি জেসচারিং স্প্রিংবোর্ড ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন, তখন তার বয়স ১৩ বছর ২৬৭ দিন। টোকিও অলিম্পিক গেমসে সোনার পদক জয়ী মোমিজি নিশিয়া ৬৩ দিন বড়। শুধু জাপানি নারী নয়, স্কেটবোর্ডিংয়ের পুরুষ লড়াইয়ে ইয়োতো হরিগম।

অলিম্পিক গেমসের এই খেলাটায় বিভিন্ন দেশের কম বয়সি ক্রীড়াবিদরাই অংশগ্রহণ করেছেন। উন্নত দেশগুলোতে দেখা যায় পার্কে, রাস্তায় রাস্তায় স্কেটবোর্ডিংয়ের খেলায় মত্ত ছোটবড় কিশোর-কিশোরীরা। পায়ে রোলার স্কেটিংয়ের মতো কাঠের পাতের নিচে শক্ত চাকা লাগানো

থাকে। সেটির ওপর ভর করে ঢেউয়ের মতো করে খেলছেন তরুণ-তরুণীরা। অনেকে রেল লাইনের উপর দিয়ে খেলছেন । এটি ঝুঁকিপূর্ণ খেলা। পড়ে গেলে হাত-পা, দাঁত ভাঙার ঝুঁকি থাকে। তার পরও এই খেলাটি ভীষণ জনপ্রিয় উন্নত দেশে। অলিম্পিক গেমসে স্কেটবোর্ডিং খেলাটা যুক্ত হওয়ায় এবং সোনার পদক পাওয়ায় অন্যদের উজ্জীবিত করবে।       

পদক তালিকা

দেশ                  স্বর্ণ    রৌপ্য  ব্রোঞ্জ

জাপান                     ৮        ২          ৩

যুক্তরাষ্ট্র                   ৭        ৩         ৪

চীন                         ৬         ৫         ৭

রাশিয়া                     ৪        ৫         ৩

বৃটেন                       ৩        ৩         ১

দক্ষিণ কোরিয়া          ৩        ০         ৪

অস্ট্রেলিয়া                 ২         ১          ৩

কসোভো                  ২         ০         ০        

ইতালি                     ১         ৪         ৪

ফ্রান্স                       ১         ২          ২