প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সেবা দিতে গিয়ে চরম ঝুঁকিতে কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মচারীরা। পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকায় তারা অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একজন কর্মী করোনা পজেটিভ হয়ে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান। প্রতিদিন কোনো না কোনো কর্মী করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এদিকে করোনায় আক্রান্তের এবং মৃতের হার বেড়ে যাওয়ায় এসব ক্লিনিকে দিন দিন সেবাগ্রহীতারা ভিড় জমাচ্ছেন। তাছাড়া গরিবের হাসপাতাল হিসেবে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এই ক্লিনিকের কর্মচারীদের প্রচুর কাজ করতে হয়। সে হিসেবে তাদের কোনো প্রণোদনা পাওয়ার নজির নেই। পাচ্ছে না কোনো সুরক্ষা সামগ্রীও। যারা নিবেদিতপ্রাণ তারা তাদের ন্যায্য পাওনা পায় না। কী বিচিত্র! বুকে হতাশা আর কষ্ট নিয়ে লড়াই করে যাওয়া এই যোদ্ধারা করোনাকালে হাতেগোনা কয়েকটি জামা আর মাস্ক পেয়েছে মাত্র। যারা জনসাধারণের জন্য ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে, তাদের দেখার জন্য যাঁরা আছেন তাঁরা উদাসীন।
কাজী সুলতানুল আরেফিন
কুটিকসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
