করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও। ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা বেশি, কয়েকটি শিশু মারাও গেছে। ডেঙ্গুর প্রকোপ ঢাকাতেই বেশি, তবে অন্য জায়গাগুলোকে ডেঙ্গুর ঝুঁকিমুক্ত বলা যাবে না। তাই সবাইকে সচেতন থাকবে হবে। বাসাবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা ও যেখানে লার্ভা জন্মানোর সম্ভবনা রয়েছে সেখানে এডিসের লার্ভা পাওয়া না যায়—তার ব্যবস্থা অর্থাত্ মশার ওষুধ ছিটাতে হবে। শিশুদের শরীর ঢেকে তাদেরকে মশারির ভেতরে রাখতে হবে। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে করোনা চিকিত্সার পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চিকিত্সায় নিতে হবে যথাযথ ব্যবস্থা। জ্বর হলে করোনার সঙ্গে ডেঙ্গু পরীক্ষাও করতে হবে। সর্বোপরি সরকার ও স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কিত কর্তৃপক্ষসহ নাগরিকদের সচেতন থাকতে হবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে।
এম. নাজমুল হক চৌধুরী
শিক্ষার্থী, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ঢাকা
