ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বিরুদ্ধে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ আচরণের অভিযোগ তুলেছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। তাদের অভিযোগ, ভোট-পরবর্তী সহিংসতা নিয়ে কমিশন যে রিপোর্ট কলকাতা হাইকোর্টে জমা দিয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’। সোমবার হাইকোর্টে জমা দেওয়া হলফনামায় রাজ্য সরকার বলেছে, পশ্চিমবঙ্গের বিরুদ্ধে রিপোর্ট দিতে বেছে বেছে কমিশনের এমন সদস্যদের নিয়োগ করা হয়েছিল, যাদের সঙ্গে বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের যোগসাজস খাতা-কলমে প্রমাণিত। আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, কমিশনের রিপোর্ট আগেই খারিজ করে দিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সরকার। হাইকোর্টে দেওয়া হলফনামায় কড়া ভাষায় কমিশনের সমালোচনা করেছে তারা। বলা হয়েছে, ভোট-পরবর্তী সহিংসতার সামগ্রিক দায় রাজ্য প্রশাসনের ঘাড়ে চাপিয়েছে কমিশন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ। রাজ্য সরকারের যুক্তি, মানবাধিকার কমিশন একটি নিরপেক্ষ এবং পক্ষপাতহীন প্রতিষ্ঠান। কিন্তু এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে, একটি নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করতে কমিশনকে ব্যবহার করা হয়েছে। ২ মে ভোটের ফল ঘোষণার পর কিছু জায়গায় সহিংসতার ঘটনা ঘটে। কিন্তু ৫ মে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর উল্লেখযোগ্যভাবে তা কমে যায়। বর্তমানে রাজ্যে সহিংসতার কোনো ঘটনা নেই বললেই চলে।
