মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেছেন, আফগানিস্তানে তালেবানরা জোর করে ক্ষমতা দখল করলে তারা কখনোই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাবে না। গতকাল বুধবার ভারতের নয়াদিল্লিতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকের পর এক যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে কোভিড সহযোগিতা, মানবাধিকারসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হয়। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানকে নিয়ে গঠিত ‘কোয়াড’ জোটে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে উভয় দেশ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। যদিও চীন এই জোটের বিরোধিতা করে আসছে। খবর:বিবিসি ও এনডিটিভির।
যুক্তরাষ্ট্রে বাইডেন প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেনের এটাই প্রথম ভারত সফর। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে পৌঁছনোর পর তিনি গতকাল বুধবার সকালে প্রথমে বৈঠক করেন ভারতের সুশীল সমাজের বাছাই করা কয়েক জন প্রতিনিধির সঙ্গে। তারপর একে একে দেখা করেন দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। সবগুলো বৈঠকেই আলোচনার একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল আঞ্চলিক নিরাপত্তা তথা আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি।
পরে বিকেলে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে আফগানিস্তান নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ব্লিনকেন বলেন, এটা ঠিক যে গত সপ্তাহে বেশ কয়েকটি জেলায় তালেবানের অগ্রযাত্রা আমরা দেখেছি। তালেবানরা বহুদিন ধরেই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চাইছে, চাইছে তাদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হোক। কিন্তু আফগানিস্তানে জোর করে ক্ষমতা দখল করতে গেলে বা নিজেদের লোকদের ওপর অত্যাচার করে সে লক্ষ্য পূরণ হবে না। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু হয়ে গেলেও সে দেশে শক্তিশালী একটি দূতাবাস ও নানা উন্নয়নমূলক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জোরালো প্রভাব ও উপস্থিতি থাকবে বলেও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন।
তবে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায় স্পষ্ট হয়েছে যে, সে দেশ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারে ভারত হতাশ। জয়শঙ্কর বলেন, গত ২০ বছর ধরে যেখানে একটা শক্তিশালী মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ছিল তা তুলে নেওয়া হলে অবশ্যই তার প্রভাব পড়বে, সেটা অবধারিত। কিন্তু এখন এটার ভালো-মন্দ বিচার করার সময় নয়, একটা নীতি গৃহীত হয়েছে এবং সেটা মেনে নিয়েই চলতে হবে। সেই অনুযায়ী কূটনীতিও পরিচালিত হবে। আফগানিস্তানের প্রায় সব প্রতিবেশীই বিশ্বাস করে সহিংসতার অবসান ঘটিয়ে রাজনৈতিক পথেই সে দেশে শান্তি ফেরাতে হবে।
ভারত যেমন এখানে সরাসরি পাকিস্তানের নাম নেয়নি, তেমনি কোয়াড নিয়ে প্রশ্নের জবাবেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন একবারও চীন শব্দটা উচ্চারণ করেননি। কিন্তু এটা পরিষ্কার করে দিয়েছেন, এই জোট নিয়ে চীনের যতই আপত্তি থাক তাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বন্ধ হবে না। ব্লিনকেন বলেন, কোয়াড আসলে খুবই সহজ একটা জিনিস। চারটে সমমনা দেশ—ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া একজোট হয়েছে যাতে একটি মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিক গড়ে তোলা যায়, যাতে এই অঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়। তবে এটা কিন্তু কোনো সামরিক জোট নয় বরং আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ও আন্তর্জাতিক মূল্যবোধের প্রসারে একটি সহযোগিতার প্ল্যাটফরম। গতকাল সকালেই দিল্লিতে তিব্বতের ধর্মগুরু দালাই লামার একজন প্রতিনিধির সঙ্গেও বৈঠক করেন ব্লিনকেন। এর মাধ্যমে চীনকেও একটি কড়া বার্তা দিয়েছেন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেছেন, আফগানিস্তানে তালেবানরা জোর করে ক্ষমতা দখল করলে তারা কখনোই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাবে না। গতকাল বুধবার ভারতের নয়াদিল্লিতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকের পর এক যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে কোভিড সহযোগিতা, মানবাধিকারসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হয়। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানকে নিয়ে গঠিত ‘কোয়াড’ জোটে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে উভয় দেশ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। যদিও চীন এই জোটের বিরোধিতা করে আসছে। খবর:বিবিসি ও এনডিটিভির।
যুক্তরাষ্ট্রে বাইডেন প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেনের এটাই প্রথম ভারত সফর। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে পৌঁছনোর পর তিনি গতকাল বুধবার সকালে প্রথমে বৈঠক করেন ভারতের সুশীল সমাজের বাছাই করা কয়েক জন প্রতিনিধির সঙ্গে। তারপর একে একে দেখা করেন দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। সবগুলো বৈঠকেই আলোচনার একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল আঞ্চলিক নিরাপত্তা তথা আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি।
পরে বিকেলে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে আফগানিস্তান নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ব্লিনকেন বলেন, এটা ঠিক যে গত সপ্তাহে বেশ কয়েকটি জেলায় তালেবানের অগ্রযাত্রা আমরা দেখেছি। তালেবানরা বহুদিন ধরেই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চাইছে, চাইছে তাদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হোক। কিন্তু আফগানিস্তানে জোর করে ক্ষমতা দখল করতে গেলে বা নিজেদের লোকদের ওপর অত্যাচার করে সে লক্ষ্য পূরণ হবে না। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু হয়ে গেলেও সে দেশে শক্তিশালী একটি দূতাবাস ও নানা উন্নয়নমূলক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জোরালো প্রভাব ও উপস্থিতি থাকবে বলেও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন।
তবে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায় স্পষ্ট হয়েছে যে, সে দেশ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারে ভারত হতাশ। জয়শঙ্কর বলেন, গত ২০ বছর ধরে যেখানে একটা শক্তিশালী মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ছিল তা তুলে নেওয়া হলে অবশ্যই তার প্রভাব পড়বে, সেটা অবধারিত। কিন্তু এখন এটার ভালো-মন্দ বিচার করার সময় নয়, একটা নীতি গৃহীত হয়েছে এবং সেটা মেনে নিয়েই চলতে হবে। সেই অনুযায়ী কূটনীতিও পরিচালিত হবে। আফগানিস্তানের প্রায় সব প্রতিবেশীই বিশ্বাস করে সহিংসতার অবসান ঘটিয়ে রাজনৈতিক পথেই সে দেশে শান্তি ফেরাতে হবে।
ভারত যেমন এখানে সরাসরি পাকিস্তানের নাম নেয়নি, তেমনি কোয়াড নিয়ে প্রশ্নের জবাবেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন একবারও চীন শব্দটা উচ্চারণ করেননি। কিন্তু এটা পরিষ্কার করে দিয়েছেন, এই জোট নিয়ে চীনের যতই আপত্তি থাক তাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বন্ধ হবে না। ব্লিনকেন বলেন, কোয়াড আসলে খুবই সহজ একটা জিনিস। চারটে সমমনা দেশ—ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া একজোট হয়েছে যাতে একটি মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিক গড়ে তোলা যায়, যাতে এই অঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়। তবে এটা কিন্তু কোনো সামরিক জোট নয় বরং আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ও আন্তর্জাতিক মূল্যবোধের প্রসারে একটি সহযোগিতার প্ল্যাটফরম। গতকাল সকালেই দিল্লিতে তিব্বতের ধর্মগুরু দালাই লামার একজন প্রতিনিধির সঙ্গেও বৈঠক করেন ব্লিনকেন। এর মাধ্যমে চীনকেও একটি কড়া বার্তা দিয়েছেন।
