স্পোর্টস রিপোর্টার
অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হোম সিরিজ আয়োজনের দৌরগোড়ায় চলে এসেছে বিসিবি। আজই অতিথি অস্ট্রেলিয়া দল বাংলাদেশে আসছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে বিকাল ৪টায় মিচেল স্টার্ক-ম্যাথু ওয়েডদের বহনকারী বিমান ঢাকায় পৌঁছাবে। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে গিয়ে উঠবে সফরকারীরা।
অস্ট্রেলিয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে দেশে ফিরছে বাংলাদেশ দল। জিম্বাবুয়ে সফর শেষে আজ সকাল ৯টায় ঢাকায় ফিরছেন মাহমুদউল্লাহ-সাকিবরা। বিমানবন্দর থেকে সোজা হোটলে উঠতে হবে তাদেরকেও।
আগামী কয়েক দিন দুই দলকেই হোটেলে থাকতে হবে কোয়ারেন্টাইনে। তিন দিন পর করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট প্রাপ্তি সাপেক্ষে অনুশীলনে নামবেন দুই দলের ক্রিকেটাররা। টি-২০ তে প্রথম দ্বিপাক্ষিক সিরিজে ৫ ম্যাচটি খেলবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া। আগামী ৩, ৪, ৬, ৭ ও ৯ আগস্ট ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। দিবারাত্রির সব ম্যাচই শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টায়।
অস্ট্রেলিয়াকে আতিথ্য দিতে প্রস্তুত বিসিবি। জৈব সুরক্ষা বলয় নিশ্চিত করাই এখানে মূল চ্যালেঞ্জ। গতকাল বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেছেন, ‘ভেন্যু, হোটেলসহ অন্য সব বিষয়ে ওরা (ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া) যেভাবে চাচ্ছে, যেভাবে তথ্য দিচ্ছে সেটার ভিত্তিতেই আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। তাদের মূল চিন্তাটাই হচ্ছে বায়ো-বাবল নিশ্চিত করা। তাদের খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতই মূল লক্ষ্য।’
করোনাকালে কয়েকটি ঘরোয়া টুর্নামেন্ট, আন্তর্জাতিক সিরিজ আয়োজনের অভিজ্ঞতা আছে বিসিবির। ফলে এই সিরিজের সফল আয়োজনেও আত্মবিশ্বাসী বিসিবি।
সিরিজের মাঝপথে কারো করোনা পজিটিভ এলেও সিরিজ এগিয়ে যাবে। এমন সময়ে করণীয় নিয়েও আলোচনা করেছে দুই বোর্ড। নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেছেন, ‘আমি বলি এক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জিং যেটা সিরিজ চলাকালে কোনো পজিটিভ কেইস আসা। আমরা দুই বোর্ড আলোচনা করছি, কীভাবে এরকম কিছু হলেও সিরিজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, সফলভাবে শেষ করা যায়।’
বিমানবন্দরে প্রথাগত ইমিগ্রেশন হবে না অস্ট্রেলিয়ার। বিশেষ ব্যবস্থায় ইমিগ্রেশন হবে তাদের। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে বিসিবির মেডিক্যাল ও অপারেশন্স বিভাগ।
