সড়কে বেড়েছে যান চলাচল

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২১:২৬

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ঘোষিত কঠোর লকডাউনের ৭ম দিন গতকাল বৃহস্পতিবার বিভিন্ন স্থানে সড়কে যান চলাচল বেড়েছে। স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে বাইরে বের হচ্ছে মানুষ। দোকানপাট খোলা রেখে কেনাবেচা চলছে। সড়কে বের হলেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। আমাদের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর : 

ঝিনাইদহ : চলমান কঠোর লকডাউনে মানা হচ্ছে না কোনো নির্দেশনা। আইন অমান্য করে বিনা কারণে নানা অজুহাতে বের হচ্ছে মানুষ। সড়কেও বেড়েছে ছোট ছোট যান চলাচল ও লোক সমাগম। শহরের অধিকাংশ দোকানপাট আংশিক খোলা রেখে কেনাবেচা করছে। সকালে শহরের বিভিন্ন সড়ক ও গলিতে অন্যান্য দিনের তুলনায় বেড়েছে মানুষের উপস্থিতি। জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সেলিম রেজা বলেন, কঠোর লকডাউন কার্যকরে জেলা ও উপজেলায় ১১টি ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা করা হচ্ছে।

নিয়ামতপুর (নওগাঁ): নিয়ামতপুরে কঠোর বিধিনিষেধের ৭ম দিনে উপজেলার সাধারণ মানুষের চলাচল অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। মনে হচ্ছে এই কঠোর বিধিনিষেধ শুধু উপজেলা সদরে। তাও বেলা ১২টার পর। উপজেলার আর কোথাও কঠোর বিধিনিষেধ তেমন চোখে পড়ে না। বিভিন্ন বাজার সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বটতলী, গুজিশহর, রবিয়া, খড়িবাড়ীহাট, বালাতেড়, নিমদিঘি, গাংগোর, বামইন, শিবপুর, টিএলবি বাজার, আড্ডা বাজারসহ উপজেলার প্রতিটি অলিগলির ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে। সামনের দরজা বন্ধ রেখে পেছনের দরজা দিয়ে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। হোটেলগুলোর সামনে চেয়ার টেবিল দিয়ে ঢেকে রেখে ভেতরে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের ব্যবসা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়া মারীয়া পেরেরা বলেন, সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকার পরেও জনগণের আরো সম্পৃক্ততা ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।

চাটমোহর (পাবনা) : অকারণে বের হলেই পড়তে হচ্ছে পুলিশী জেরার মুখে, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করা হচ্ছে। কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে এতো পদক্ষেপের পরও চাটমোহরের মানুষ লকডাউনের কোনো প্রকার তোয়াক্কা করছেন না। ১৪ দিনের কঠোর লকডাউনের ৭ম দিন বৃহস্পতিবার পাবনার চাটমোহরে যানবাহন ও মানুষের চলাচল কয়েকগুণ বেড়েছে। উপজেলার সর্বত্রই ছিল স্বাভাবিক চিত্র। পৌর শহরের সব দোকানপাট এক সাটার খুলে রেখে বেচাকেনা করছে। চাটমোহর থানার ওসি মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা সার্বক্ষণিক মাঠে থেকে সরকারি বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে কাজ করছি। সবাইকে সচেতন হতে হবে।