মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেছেন, চীনের সরকার ভেতরে নিপীড়ক এবং বাইরে আক্রমণাত্মক। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে ব্লিনকেন এই কথা বলেন। তিনি এর আগে বলেছিলেন, আফগানিস্তান নিয়ে চীনের আগ্রহ ইতিবাচক।
ব্লিনকেন এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, চীনের সঙ্গে সম্পর্কটা জটিল হয়ে গেছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা দেখছি যে, চীনের সরকার দেশের ভেতরে নিপীড়ন চালায় এবং বাইরে আক্রমণাত্মক ভূমিকা পালন করে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন অনেকের কাছে চ্যালেঞ্জের হয়ে উঠেছে। এর আগে ভারত সফরে ব্লিনকেন বলেন, চীন যদি দেশটিতে সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় এবং সত্যিকারের একটি সরকার গঠনের দিকে অগ্রসর হয় তাহলে সেটি অবশ্যই ভালো দিক। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিনকেন এমন সময়ে এই মন্তব্য করলেন যখন তালেবানের একটি প্রতিনিধি দল চীন সফর করেছেন। বেইজিং তালেবানকে সমর্থনের কথা জানিয়েছে। বেইজিং জানিয়েছে, তালেবান আফগানিস্তানের শান্তি-প্রক্রিয়া এবং দেশ পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ভারত সফরকালে ব্লিনকেন বলেছিলেন, আফগানিস্তানে তালেবানের সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলকে কেউ সমর্থন করে না। তিনি বলেন, সেরকম কিছু হলে যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি নাও দিতে পারে। তিনি তালেবানকে সমঝোতার টেবিলে আসার আহ্বান জানান। এদিকে গতকাল কুয়েতে এক সংবাদ সম্মেলনে ব্লিনকেন বলেন, ইরানের সঙ্গে পরমাণু সমঝোতা নিয়ে আলোচনা অনির্দিষ্টকালের জন্য চলতে পারে না। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক পথে সমাধান চায়, কিন্তু ইরান যদি পরমাণু কার্যক্রম অব্যাহত রাখে তাহলে সেটা গ্রহণযোগ্য হবে না।
