‘কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার সময় আসেনি’

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ০০:০৪

জম্মু-কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। কিন্তু এখনো সেই সময় আসেনি। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটির পার্লামেন্টে এ কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই লিখিত উত্তরে রাজ্যসভায় বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলে সঠিক সময়ে জম্মু-কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হবে।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, রাজ্যসভায় প্রশ্ন করা হয়েছিল, জম্মু-কাশ্মীরকে পুনরায় রাজ্যের মর্যাদা দেওয়ার বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে কোনো প্রস্তাব রয়েছে কি না? জবাবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, জাতীয় স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই সংবিধান সংশোধন করে জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যকে দুই ভাগ করে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠন করা হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরে ইন্টারনেট, মোবাইল পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় রেখেই। একই সঙ্গে তিনি জানান, ঐ অঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি নির্দিষ্ট সময় অন্তর পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং বিধিনিষেধ ধীরে ধীরে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গোটা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে গত ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ফোরজি ইন্টারনেট সেবা চালু হয়েছে।

২০১৯ সালের আগস্টে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার এবং জম্মু-কাশ্মীরকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভাজনের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেই সময়ই সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, ভবিষ্যতে জম্মু-কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবারও পেগাসাস স্পাইওয়্যারের মাধ্যমে ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগ, নয়া কৃষি আইন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির মতো বিষয় নিয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদের দুই কক্ষ। আলোচনা ও তদন্তের দাবিতে বিরোধীদের বিক্ষোভের মুখে আজ শুক্রবার সকাল ১১ পর্যন্ত পার্লামেন্টের দুই কক্ষের অধিবেশন মুলতুবি করা হয়েছে। গত ১৯ জুলাই থেকে বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর পর কয়েক দফা অধিবেশন মুলতুবি হয়েছে বিরোধীদের প্রতিবাদের মুখে। অন্যদিকে লোকসভায় বিবৃতির কাগজ ছিঁড়ে স্পিকারের দিকে ছুড়ে মারার অভিযোগে ১০ জন বিরোধী এমপিকে (বেশির ভাগই কংগ্রেসের) সাসপেন্ড করা হয়েছে।