সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা
মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘ ১৬ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ। এ অবস্থায় সৈয়দপুর উপজেলার কিশোররা মাদকসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। অলিগলিতে বসছে কিশোরদের আড্ডা আর মাদক সেবন। স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা মালগাড়ি বা ট্রেনের কোচের ফাঁকফোকর বা রেললাইনের অদূরে কোনো নিরাপদ স্থানে বসে মাদক সেবন করছে স্কুল-কলেজগামী অনেক কিশোর। আর মাদকের টাকা জোগাড় করতে ছিঁচকে চুরির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে তারা। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অভিভাবক ও সুধীজন।
জানা গেছে, বাইসাইকেল বা রিকশা-ভ্যানের লিক সারানোর কাজে ব্যবহার করা সলিশন ও ড্যান্ডি আঠার নেশায় আসক্ত হচ্ছে ৮/১৬ বছরের শিশু-কিশোররা। যেসব শিশু-কিশোর হাটবাজার আর বাইরে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে তাদের মধ্যে এ নেশা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এছাড়া ফার্মেসিতে ট্যাপেন্টাডল কিনে নেশা করছে কিশোররা।
এ ব্যাপারে সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু মো. আলেমুল বাসার বলেন, এ কেমিক্যাল আঠার নেশা লিভারসহ শরীরের নানা অঙ্গের ও রক্তের কণিকার ব্যাপক ক্ষতি করে থাকে। পূর্ণবয়স্ক না হওয়ায় শতকরা ৭৫ ভাগ ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। সলিশন বা ড্যান্ডির নেশায় আসক্ত হয়ে শিশু-কিশোর এগিয়ে যাচ্ছে মরণব্যাধির দিকে।
এ প্রসঙ্গে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত খান জানান, ছোট-খাটো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে শিশু-কিশোররা। তবে থানাপুলিশ এ ব্যাপারে সজাগ রয়েছে। অভিভাবকদেরও সচেতন থাকতে হবে।
