ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ভবন হস্তান্তরের আগেই প্রাচীরে ফাটল

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ২১:৪৪

গলাচিপা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা

গলাচিপা উপজেলার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনে দীর্ঘ তিন বছর ধরে নির্মাণকাজ অব্যাহত থাকার পর ছয় মাস আগে কাজটি সম্পন্ন হয়। হস্তান্তরের আগেই দেখা দিয়েছে নির্মাণকাজের বিভিন্ন ত্রুটি। ইতিমধ্যে ভবনের চারদিকে নির্মিত সুরক্ষাপ্রাচীরের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। যে কোনো সময় প্রাচীর ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।  চারদিকে  নির্মিত হয় বেশ কয়েকটি লাইট পোস্ট। এর মধ্যে পেছনের একটি লাইট পোস্ট হেলে গিয়ে ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। মূল ভবনের পলেস্তারা ইতিমধ্যে নানান জায়গায় লবণাক্ততায় ফুলে উঠেছে। এ ছাড়া ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসা-যাওয়ার জন্য নেই কোনো সামনের সংযোগ সড়ক।

জানা যায়, সাড়ে তিন বছর আগে ভবন নির্মাণের দায়িত্ব পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মহিউদ্দিন এন্টার প্রাইজ। ভবন নির্মাণের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এলাকাবাসী জানান—কয়েক মাস আগে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ভবনটির কাজ শেষ হয়। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করার জন্য এ অবস্থা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।  ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো. মহিউদ্দিন আহম্মেদ জানান, ভবনের পেছনে ছোট একটি খাল খননের কারণে নিচ থেকে মাটি সরে গিয়ে হয়তো এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।

পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. নিজাম উদ্দিন বলেন,‘ বিল্ডিং তো আমরা এখনো বুঝে পাইনি। এর সম্পূর্ণ দায়িত্ব গণপূর্ত বিভাগের। তার পরেও আমি সরেজমিন গিয়ে বিষয়টি জেলা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে জানাব।’ এ ব্যাপারে পটুয়াখালী জেলা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হারুন অর রশিদ বলেন, ভবনের পেছনে এক্সকাভেটর মেশিন দিয়ে ১৫ ফুট খাল খনন করায় দেওয়ালে ফাটল ধরেছে এবং লাইটপোস্ট হেলে গিয়ে থাকলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঠিক করে দেবে।