স্বর্ণপদকের চেয়েও বেশি কিছু

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ২২:৩৬

স্পোর্টস রিপোর্টার

পোডিয়ামে ওঠার আনন্দ কী রকম, সেটা অনুভব করছেন স্যান ম্যারিনো নামের একটি দেশের শুটার আলেজান্দ্রা পেরিলি। অনেকবার পোডিয়ামে ওঠার সুযোগ পেতে পেতেও হয়নি। হাতের নাগাল হতে বারবার ছুটে গিয়েছিল পোডিয়াম। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে পদক জয়ের কাছাকাছি গিয়েও ছিটকে পড়েছিলেন পেরিলি। তার দিকে তাকিয়েও ছিল স্যান ম্যারিনো দেশের জনগণ। এই মেয়েটি পারবে। ওর চেষ্টা আছে। লেগে ছিলেন আলেজান্দ্রা পেরিলি। শেষ পর্যন্ত স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। টোকিও অলিম্পিক গেমস শুটিংয়ের ট্র্যাপ ইভেন্টে ব্রোঞ্জপদক জিতেছেন আলেজান্দ্রা পেরিলি। অনেক অপেক্ষার অবসান হয়েছে। ব্রোঞ্জপদকটা স্বর্ণপদকের চেয়েও বেশি কিছু। কারণ, স্যান ম্যারিনো নামের এই দেশটি কখনো অলিম্পিক গেমসে কোনো পদকই পায়নি। 

এই ইভেন্টে স্লোভাকিয়ার স্টিফেকোভা জুনায়না অলিম্পিক রেকর্ড গড়ে স্বর্ণপদক জিতলেও কিছু দেশের কাছে ব্রোঞ্জপদক জয়ী দেশ স্যান ম্যারিনোর কথাই বেশি আলোচিত হচ্ছে। কারণ, এই দেশটির জনসংখ্যা ৩১ হাজার। একেবারে ছোট একটি দেশ। যার আয়তন ৬১ বর্গকিলোমিটার। ইতালির মানচিত্রে গেলে দেখা যায় স্যান ম্যারিনো নামের একটি দেশ রয়েছে। এত কম জনসংখ্যা অপরিচিত একটি দেশ অলিম্পিকে পদক জয় করে ফেলল। এটা সেই দেশের স্বর্ণপদকের চেয়ে বেশি মর্যাদা পাচ্ছে।

ইউরোপীয়ান শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপ, বিশ্বকাপ শুটিং, বিশ্ব শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপসহ অনেক পদে লড়াই করেছেন। সব ঘুরে ব্রোঞ্জ পেলেন ৩৩ বছর বয়সি এই নারী শুটার। ইতালিতে জন্ম নেওয়া পেরিলি ১৮ বছর বয়সে মায়ের সূত্রে স্যান ম্যারিনোর নাগরিকত্ব গ্রহণ করে। সেই দেশের হয়ে লন্ডন এবং রিও অলিম্পিকে খেলেছেন। ২০০১ সালে শুটিং শুরু করেন। সাত বছরের পুত্র সন্তান  রয়েছে ঘরে।